অধিনায়ক রোহিত শর্মা ছাড়া আর মুম্বাইয়ের আর কোনও ব্যাটসম্যান সুবিধা করতে পারেননি। এক প্রান্ত আগলে রেখে ৪৫ বলে রোহিত খেলেছেন ৬৭ রানের ইনিংস, যাতে ছিল ৬টি চার ও দুটি ছক্কার মার। এর আগে হায়দরাবাদের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৩৬ রানেই সফরকারীরা হারায় ৩ উইকেট। একাদশে জায়গা পেয়েই বল হাতে নিজেকে চিনিয়েছেন মোহাম্মদ নবী। আফগান এই অলরাউন্ডারের বলে শুরুতেই ফিরে যান লেন্ডল সিমন্স (১)। খানিক পর নিতিশ রানাকে প্যাভিলিয়নে ফেরান সিদ্ধার্থ কুল। এই পেসার ২৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। নবী ১ উইকেট পেলেও ৪ ওভারে খরচ করেছেন মোটে ১৩ রান! ভুবনেশ্বর কুমারের শিকার আবার ২ উইকেট। তাদের চমৎকার বোলিংয়ে ২০ ওভারে ১৩৮ রান করতে পারে মুম্বাই।
সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে হায়দরাবাদ শুরুতে ডেভিড ওয়ার্নারকে (৬) হারালেও আরও একবার দাঁড়িয়ে যান ধাওয়ান। আর সঙ্গী হিসেবে পেয়ে যান ময়েসেস হেনরিকসকে। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেন ৯১ রান। হেনরিকস ৪৪ রানে ফিরলেও হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন ধাওয়ান। ৪৬ বলে অপরাজিত ছিলেন তিনি ৬২ রানে। ম্যাচ জেতানো ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছিলেন ৪ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায়। ক্রিকইনফো
/কেআর/