চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে চারবার মুখোমুখি হয়েছে ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে পুরানো প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। দুই দলই জিতেছে দুইবার করে, এ পরিসংখ্যানে কে কাকে ছাড়িয়ে যাবে আজ? প্রশ্নের উত্তর জানা যাবে বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে শুরু হওয়া ম্যাচে। আরেকটি উত্তরও মিলে যাবে ম্যাচ শেষে- বাংলাদেশ কি যেতে পারল সেমিফাইনালে?
দুই ম্যাচ জিতে সবার আগে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নির্ভার ইংল্যান্ড। আর নিজেদের ভাগ্য নিজেদেরই গড়তে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। কিন্তু বার্মিংহামের এজবাস্টনে সমর্থন পাওয়ায় নিশ্চিতভাবে পিছিয়ে থাকবে তারা। কারণ তারা সমর্থন পাবে শুধু নিজ দেশের মানুষের কাছে। আর ইংল্যান্ড তাদের ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে সমর্থন পাবে নিজ দেশ ও বাংলাদেশের কাছ থেকে।
ইংল্যান্ডে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা তো বটেই, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষেরই হয়তো চোখ থাকবে এ ম্যাচে। একই সঙ্গে তাদের প্রার্থণা থাকবে জিতুক ইংল্যান্ড। কারণ ইংলিশদের জয়ের উপরই নির্ভর করছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের খেলা। এখন একটাই চাওয়া ‘অস্ট্রেলিয়াকে হারাও ইংল্যান্ড, সেমিফাইনালে উঠুক বাংলাদেশ।’
পাশাপাশি বাংলাদেশিদের সবার মনে প্রশ্ন ঘুরঘুর করছে, ইংল্যান্ড কি এনে দিতে পারবে বাংলাদেশকে সেমিফাইনালের টিকিট? ইংল্যান্ড আগের স্বাভাবিক ম্যাচের মতোই খেলবে নাকি আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করায় নির্ভার খেলবে! অবশ্য দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাঁজ বলে অন্য কথা। আগে শেষ চার নিশ্চিত করলেও পুরানো প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে ছেড়ে কথা বলবে না ইংল্যান্ড।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ জয়ের পর ইংলিশ অধিনায়ক এউইন মরগান বলেছিলেন, ‘টুর্নামেন্টে শিরোপার দাবিদার হতে গেলে সেরা দলগুলোকে হারাতে হবে আমাদের, অস্ট্রেলিয়া অন্যতম সেরা দল।’
শিরোপার যোগ্যতম দাবিদার হয়ে থাকতে জেতার জন্য খেলবে ইংল্যান্ড। আর অস্ট্রেলিয়ার সামনেও সহজ সমীকরণ- হয় জেত, নয়তো বিদায় নাও।
এজবাস্টনের বার্মিংহামে অবশ্য আরেকবার বৃষ্টির চোখ রাঙানি। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে সকাল ও সন্ধ্যায় বৃষ্টি হতে পারে। সেটা অবশ্য ম্যাচে বিঘ্ন ঘটাবে বলে মনে হয় না। কারণ বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেও পয়েন্ট ভাগাভাগি কোনও কাজে আসবে না অস্ট্রেলিয়ার। তখন বৃষ্টির কল্যাণে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের সঙ্গী হবে বাংলাদেশ।
/এফএইচএম/