১ উইকেটে ১১৯ রানে চতুর্থ দিন দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। ৫৯ রানে অ্যালিস্টার কুক ও গ্যারি ব্যালান্স ক্রিজে নামেন ২২ রানে অপরাজিত থেকে। কুকের ধীর ইনিংস স্বাগতিকদের বেশ বড় লিড এনে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল। কিন্তু দিনের ১০ম ওভারে মরনে মরকেলের বোলিং তোপ সামলাতে পারেননি এ ওপেনার। ৬৯ রানে থামে কুকের ১৯২ বলে সাজানো ইনিংস।
পরের ওভারে মরকেল ৩৪ রানে ফেরান গ্যারি ব্যালান্সকে। প্রোটিয়া পেসারের সঙ্গে তোপ দাগান কাগিসো রাবাদা। দুই পেসারের সঙ্গে কেশভ মহারাজের বাঁহাতি স্পিনে নাকানিচুবানি খেতে থাকে স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা। ৪৩ রানের ব্যবধানে ৭ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। এমন বিপর্যয়ে বেশ স্বস্তি আনে জনি বেয়ারস্টো ও মার্ক উডের ৪৫ রানের জুটি।
চার সেশন হাতে রেখে দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে দাঁড়ায় ৩৩১ রানের লক্ষ্য। লর্ডসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করতে নামে প্রোটিয়ারা। কিন্তু চা বিরতিতে যাওয়ার আগেই তাদের ব্যাটিং লাইন আপ তটস্থ হয়ে পড়ে। ২৫ রানে তারা হারায় প্রথম ৩ উইকেট।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৬.৪ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১১৯ রানে গুটিয়ে দিতে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন মঈন। ১৫ ওভারে ৪ মেডেনসহ ৫৩ রান দেন তিনি, নিয়েছেন ৬ উইকেট। ম্যাচে সব মিলিয়ে ১১২ রানের বিনিময়ে ডানহাতি এ অফস্পিনারের ঝুলিতে গেছে ১০ উইকেট, এক ম্যাচে এটাই তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। ৩০ বছর বয়সী এ স্পিনার প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নেন ৫৯ রান দিয়ে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ইংল্যান্ড- ৪৫৮ ও ৮৭.১ ওভারে ২৩৩ (কুক ৬৯, বেয়ারস্টো ৫১; মহারাজ ৪/৮৫)
দক্ষিণ আফ্রিকা- ৩৬১ ও ৩৬.৪ ওভারে ১১৯ (বাভুমা ২১; মঈন ৬/৫৩)
ম্যাচসেরা- মঈন আলী
ফল- ইংল্যান্ড ২১১ রানে জয়ী
সিরিজ- ৪ ম্যাচের সিরিজ ইংল্যান্ড ১-০ তে এগিয়ে। ক্রিকইনফো
/এফএইচএম/