গত বৃহস্পতিবার করাচি প্রেস ক্লাব তার সম্মানে আয়োজন করেছিল একটি সংবাদ সম্মেলন। সেখানে আন্তর্জাতিক দলগুলোকে এ আহ্বান জানালেন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিজয়ী অধিনায়ক। ইংল্যান্ডে ৮ জাতির ওই ওয়ানডে টুর্নামেন্টের সপ্তাহখানেক আগে ম্যানচেস্টারে এক কনসার্টে আত্মঘাতী হামলায় নিহত হন কমপক্ষে ১৯ জন। তারপরও সব শঙ্কা কাটিয়ে নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে বিশ্বকাপের পরবর্তী মর্যাদার এ প্রতিযোগিতা। সরফরাজের মূল প্রশ্ন এখানেই- এত বড় ঘটনার পরও ইংল্যান্ডে আন্তর্জাতিক দলগুলো খেলতে পারলে কেন পাকিস্তানে যেতে পারবে না তারা?
পাকিস্তানের ক্রিকেট যখন দিন দিন উন্নতি করছে, তখন দেশের মাটিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন না হওয়াটা শূন্যতা তৈরি করছে মনে করেন সরফরাজ। তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অনুপস্থিতির কারণে পাকিস্তান ক্রিকেট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গত ৯ বছর ধরে আমরা দেশে ক্রিকেট খেলিনি।’ ঘরোয়া কন্ডিশন হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হোম সিরিজ আয়োজন করেছে পাকিস্তান। কিন্তু সরফরাজের মতে, সেটা কোনোভাবে দেশে খেলার মতো আমেজ এনে দেয় না।
কয়েকদিন আগে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে রোনালদিনহো ও সাবেক ৭ তারকা ফুটবলার গিয়েছিলেন পাকিস্তানে। তারা কোনও ধরনের বাধা ছাড়া দুইটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে, উদ্বোধন করেছেন ক্রিকেট অ্যাকাডেমি। এ ইভেন্ট পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সরফরাজ। তাই আন্তর্জাতিক দলগুলোকে আরেকবার নতুন করে ভাবার অনুরোধ করেছেন তিনি। ডন, জিও নিউজ
/এফএইচএম/