মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখালেও একদিক থেকে প্রতিযোগিতার বিষয়কেই এগিয়ে রাখলেন তিনি, ‘আসলে বিদেশি ক্রিকেটার বাড়ায় কঠিন প্রতিযোগিতাই হবে। কারণ এখানে এমন কোনও বিদেশি খেলোয়াড় আসে না, যারা অনেক নিম্ন মানের বা অন্য কিছু। আমার মনে হয়, এখানে অনেক উঁচু মানের প্লেয়াররা আসে। তাদের সঙ্গে খেললে ও ড্রেসিংরুম শেয়ার করতে পারলে অনেক উন্নতি হয়। এবার যে সিদ্ধান্তটা নেওয়া হয়েছে আমার মনে হয় এর জন্য উন্নতি হতেও পারে।’
সামনে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ। এই অবস্থায় খেলোয়াড়দের মনসংযোগের অবস্থা কেমন? এমন প্রশ্নের জবাবে মুশফিক বলেন, ‘গত চার-পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশ যে ভাবে ক্রিকেট খেলছে, আমার মনে হয় না এটার বড় কোনো প্রভাব পড়বে। তবে এটা অন্য রকম চ্যালেঞ্জ। আমাদের সামনে বড় জাতীয় দায়িত্ব আছে। অনেক বড় বড় সিরিজ আছে। সেটার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। আর আপনি যেকোনো ফরম্যাটেই খেলেন না কেন, আপনি রান করলে যেকোনো ফরম্যাটের জন্য উপকার হয়। আমি চেষ্টা করব, আমরা যে ছন্দে আছি, সেটার যেন ধারাবাহিকতা থাকে।’
/এফআইআর/