লাঞ্চ থেকে ফিরেই আউট মুমিনুল

মুমিনুল হক আউট হয়েছেন ৭৭ রান করেপারলেন না মুমিনুল হক। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান আউট হয়ে গেছেন ৭৭ রানে। লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি। মুমিনুলের আউটে বাংলাদেশ হারালো পঞ্চম উইকেট, স্কোর ৫ উইকেটে ২২৭ রান।

চমৎকার ব্যাটিংয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১২তম হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেছিলেন মুমিনুল। যাতে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছিল দারুণভাবে। নিজেও দেখছিলেন বড় ইনিংসের স্বপ্ন, কিন্তু কেশব মহারাজের ঘূর্ণিতে থেমে গেছেন ৭৭ রানে। প্রোটিয়া এই স্পিনারের বলে শর্ট লেগে ধরা পড়েন মুমিনুল এইডেন মারক্রামের হাতে। ১৫০ বলের ধৈর্যশীল ইনিংসে ছিল ১২টি চারের মার।

নিজের স্বভাবসুলভ ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন মুমিনুল। অসাধারণ সব শটে পূরণ করেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ১২তম হাফসেঞ্চুরি। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে তিনি অপরাজিত ছিলেন ৭২ রানে। ১৩৮ বলের ইনিংসে খেলেছেন ১২টি চারের মার। অন্যপ্রান্তে তাকে সঙ্গ দেওয়া মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত ছিলেন ২৬ রানে।

লাঞ্চের আগে তৃতীয় দিনে বাংলাদেশ হারিয়েছে তামিম ইকবালের উইকেট। দিনের শুরু থেকে লড়াই করতে হচ্ছিল তাকে। বেশ কয়েকবার এলবিডাব্লিউয়ের আবেদনও উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত আর রক্ষা পেলেন না বাংলাদেশি ওপেনার। আউট হন তিনি ৩৯ রান করে। আন্দিলে ফেহলুকাওয়ের বলে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি ককের গ্ল্যাভসবন্দি হয়ে বিপদ বাড়িয়ে যান বাংলাদেশের।

৩ উইকেটে ৪৯৬ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষ করে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ১২৭ রানে। অপরাজিত থাকা দুই ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও মুমিনুল হক শুরু করেন তৃতীয় দিনের খেলা। যেখানে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছিল কঠিন চ্যালেঞ্জ।

পাঁচ সেশন ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা হারায় মাত্র ৩ উইকেট, সেখানে এক সেশনেই বাংলাদেশের নেই ৩ উইকেট। পেস বোলারদের সঙ্গে স্পিনার কেশব মহারাজও কঠিন পরীক্ষা নিয়েছেন দ্বিতীয় দিনের শেষ বিকেলে। শনিবার তাকে সামলানোই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য।

প্রোটিয়াদের ইনিংস ঘোষণার পর ব্যাট হাতে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। হারায় ইমরুল কায়েসের (৭) উইকেট। লিটন দাসও (২৫) টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। মুমিনুল হককে নিয়ে অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে দুইবার ‘জীবন’ পাওয়া মুশফিক (৪৪) আউট হয়ে গেলে আবারও চাপে পড়ে সফরকারীরা। অধিনায়কের আউটের পর অবশ্য দিনের বাকিটা পার করে দেন মুমিনুল ও তামিম।