ফিরেই মাহমুদউল্লাহর হাফসেঞ্চুরি

ব্যাট করছেন মাহমুদউল্লাহশ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঐতিহাসিক শততম টেস্ট জয়ে ছিলেন না মাহমুদউল্লাহ। দলের কম্বিনেশনের জন্য ছিটকে যেতে হয়েছিল বাংলাদেশি অলরাউন্ডারকে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজেও তাকে রাখেননি বাংলাদেশের নির্বাচকরা। ফিরলেন তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। প্রত্যাবর্তনটা হলো দারুণ। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরি করেছেন ৩১ বছর বয়সী তারকা। তাতে ফলোঅন এড়ালেও বাংলাদেশ হারিয়েছে ষষ্ঠ উইকেট, স্কোর ৩০০ রান।

শনিবার পচেফস্ট্রুম টেস্টের তৃতীয় দিন ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মুমিনুল হকের সঙ্গে ৬৯ রানের ধীর জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ। এরপর সাব্বির রহমানকে নিয়ে আরেকটা অর্ধশতাধিক রানের জুটি গড়েন তিনি। করেছেন ১০৭ বলে ক্যারিয়ারের ১৪তম হাফসেঞ্চুরি। ৭৭তম ওভারের চতুর্থ বলে কাগিসো রাবাদাকে চার মেরে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম হাফসেঞ্চুরির দেখা পেলেন মাহমুদউল্লাহ।

অবশ্য সাব্বির তার সঙ্গে জুটি খুব বড় করতে পারেননি। ডুয়েন্নে অলিভিয়েরের বলে বোল্ড হন সাব্বির। ৬৫ রানের জুটি ভাঙে তিনি ৩০ রানে আউট হলে।

৩ উইকেটে ১২৭ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। লাঞ্চের আগে তারা হারায় তামিম ইকবালের উইকেট। দিনের শুরু থেকে লড়াই করতে হয়েছে তাকে। বেশ কয়েকবার এলবিডাব্লিউয়ের আবেদনও উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত  আউট হন তিনি ৩৯ রান করে। অ্যান্ডিল ফেলুকোয়াইয়োর বলে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি ককের গ্ল্যাভসবন্দি হয়ে বিপদ বাড়িয়ে যান বাংলাদেশের। তারপর মুমিনুলের সঙ্গে মাহমুদউল্লাহর জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে সফরকারীরা। মুমিনুল ৭৭ রানে আউট হন, সাব্বিরও ফিফটির আভাস দিয়ে পারেননি সফল হতে। তবে এখন মাহমুদউল্লাহই নির্ভরযোগ্য হয়ে ক্রিজে টিকে আছেন।