শনিবার ৩৪৯ বল খেলে ২৩টি বাউন্ডারি এবং ৫ ওভার বাউন্ডারিতে ২১৬ রানের ইনিংস খেলেছেন নাঈম। তাইবুর রহমানের বলে ক্যাচ দিয়ে শুভাগত হোম ক্যাচ ধরলে থামে তার লড়াকু ইনিংসটি।
শুক্রবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ঢাকার স্পিনারদের ঘূর্ণিতে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে বসে রংপুর। ৫৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর রংপুরের হাল ধরেন নাঈম ও সোহরাওয়ার্দী। এই দুইজন মিলে গড়ে তোলেন ২৬৬ রানের অসাধারণ এক জুটি। প্রথম দিনই সেঞ্চুরি করে ফেলেন নাঈম। শনিবার অপরাজিত ১২০ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করেন তিনি। এদিন আরও ৯৬ রান যোগ করে সাজঘরে ফেরেন নেক দিন ধরে জাতীয় দলে উপেক্ষিত এই ক্রিকেটার।
নাঈমের ডাবল সেঞ্চুরির দিনে সেঞ্চুরি পেয়েছেন সোহরাওয়ার্দী। ১৪৫ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। তার ফিরে যাওয়ার পর আরিফুল হককে নিয়ে আরও একটি বড় জুটি গড়ে তোলেন নাঈম। দুইজন মিলে যোগ করেন ১৮৩ রান।
নাঈম আউট হয়ে যাওয়ার পর রংপুর আরেকটি সেঞ্চুরির দেখা পায়। আরিফুল তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছে যান শেষ বিকেলে। তিনি সেঞ্চুরি পেলে ইনিংস ঘোষণা করে রংপুর। ১০০ রানে অপরাজিত ছিলেন আরিফুল।
ঢাকার বোলারদের হয়ে একাই ৩ উইকেট নিয়েছেন শুভাগত। এছাড়া মোহাম্মদ আজিম, মোশাররফ হোসেন, নাজমুল হোসেন ও তাইবুর রহমান প্রত্যেকে নিয়েছেন একটি করে উইকেট।