টেস্ট-ওয়ানডে দুটোতেই বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে বেশি রানের মালিক তামিমের কাছে অবশ্য সবার আগে জাতীয় দলের দায়িত্ব। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েই বিপিএলে খেলার ইচ্ছা দেশসেরা ওপেনারের।
মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ মাধ্যমকে তামিম বলেছেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহ রিহ্যাবে থাকতে হবে। এরপর আমার ইনজুরির অবস্থা দেখবেন চিকিৎসকরা।’
মাঠে ফিরতে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে তিনি রাজি নন, ‘আমার মেসেজটা পরিষ্কার, আমার কাছে সবার আগে জাতীয় দল। পুরোপুরি সুস্থ না হলে মনে হয় না বিপিএলে খেলা উচিত। আমি তা করবোও না। বিপিএল গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট, কিন্তু জাতীয় দলেরও খেলা আছে। জাতীয় দল আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সামনে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ। যত ম্যাচই মিস হোক, পুরোপুরি সেরে না উঠলে বিপিএলে খেলতে নামবো না। কয়টা ম্যাচ মিস হবে, বলতে পারছি না। তবে এটা নিশ্চিত, প্রথম দুটো ম্যাচ মিস হবেই।’
দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। দুঃসহ সফর নিয়ে তামিমের বিশ্লেষণ, ‘আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারিনি। সফরটা ছিল ভীষণ কঠিন। তবে ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা নেয়। আমাদের জন্য এটা শিক্ষণীয় সফর। আমি নিশ্চিত, আমাদের দলের ব্যাটসম্যান-বোলাররা এটা বুঝতে পেরেছে। এখনও দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বাকি। আশা করি, বাকি দুই ম্যাচে ভালো করবে বাংলাদেশ।’
প্রোটিয়াদের মাটিতে ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তামিমের মন্তব্য, ‘একটা খারাপ সফর শেষে সব কিছু ভুলে গেলে উন্নতি হবে না। সফরে কী কী ভুল ছিল, তা খুঁজে বের করে কাজ করতে হবে। ২০১৯ বিশ্বকাপ ইংল্যান্ডের মাটিতে খেলতে হবে। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনও কঠিন হবে আমাদের জন্য। তাই সব কিছু মাথায় রেখেই এগোতে হবে।’
কোচের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে তামিম প্রথম ওয়ানডে খেলেননি-দেশের দুটি টেলিভিশন চ্যানেল এমন রিপোর্ট করেছিল। এ নিয়ে ক্রিকেটাঙ্গনে কিছুটা গুঞ্জনও ছিল। তামিম অবশ্য এটাকে ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিলেন, ‘এরকম কিছু ঘটেনি। এ নিয়ে বোর্ড চিঠিও পাঠিয়েছে মিডিয়ার কাছে।
আমার কাছে ব্যাপারটা খুব হাস্যকর মনে হয়েছে। একটা ৫ পারসেন্ট ঘটনাকে মানুষ ২৫-৩০ পারসেন্ট বানিয়ে ফেলেছে। কোচের সঙ্গে আমার কোনও সমস্যা নেই।’