চোখের সমস্যায় ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে পারেননি, যেতে পারেননি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও। চিকিৎসা করে সেরে উঠে অনুশীলনের ছাড়পত্র পেলেও আক্রান্ত হন ভাইরাস জ্বরে। সব অস্বস্তি আর অসুস্থতা পেছনে ফেলে মোসাদ্দেক এখন সম্পূর্ণ ফিট। বিপিএল চ্যাম্পিয়ন ঢাকা ডায়নামাইটসের সদস্য জানালেন, ‘আমি নিজেই চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়া মাঠে নামতে চাচ্ছিলাম না। তারা অনুমতি দেওয়ার পরই মাঠে নেমেছি।’
জাতীয় দলের বাইরে থাকার কষ্ট ভুলে বিপিএলে জ্বলে ওঠার প্রত্যয় ময়মনসিংহ থেকে উঠে আসা মোসাদ্দেকের কণ্ঠে, ‘জাতীয় দলের বাইরে থাকা প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্যই কষ্টের। টিভিতে খেলা দেখছি আর ভাবছি কবে দলের সঙ্গে যোগ দেবো, মাঠে নামবো। সামনে জাতীয় দলের হোম সিরিজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। বিপিএলে ভালো খেলে জাতীয় দলে ফিরবোই ইনশাল্লাহ।’
বিপিএলের গত আসরে ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে ১৪ ম্যাচে ৩০৪ রান এসেছিল তার ব্যাট থেকে। এবারও ভালো খেলার লক্ষ্য মোসাদ্দেকের, ‘গত বিপিএলে যেখানে শেষ করেছিলাম, এবার সেখান থেকেই শুরু করতে চাই। যদিও আমার প্রধান লক্ষ্য দলীয় সাফল্য। কাগজে-কলমে আমরা ভারসাম্যপূর্ণ দল। আগে দলের পারফরম্যান্স, তারপর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স।’
বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা এবার সত্যিই দারুণ শক্তিশালী দল। স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে মোসাদ্দেক আর সাকিব আল হাসানও ছাড়া আছেন মোহাম্মদ শহীদ, মেহেদী মারুফ, আবু হায়দার রনি। বিদেশিদের মধ্যে আছেন কুমার সাঙ্গাকারা, শেন ওয়াটসন, শহীদ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আমির, এভিন লুইস, কেভন কুপার, সুনীল নারাইন, কাইরন পোলার্ড। ঢাকা ডায়নামাইটসকে নিয়ে দারুণ আশাবাদী মোসাদ্দেক, ‘চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতোই দল হয়েছে আমাদের। তবে শুধু মুখে বললে তো চ্যাম্পিয়ন হওয়া যাবে না, মাঠে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে। টুর্নামেন্ট শুরু হলেই বোঝা যাবে আমরা কী অবস্থায় আছি। স্থানীয় ও বিদেশি খেলোয়াড়রা এক সঙ্গে ভালো খেললে এবারও আমরাই চ্যাম্পিয়ন হবো।’