২৭ বছর বয়সী চান্ডিমাল ওই টেস্ট সিরিজে সামনে থেকে অবদান রেখেছেন। আবুধাবিতে দলকে ২১ রানে জেতাতে অপরাজিত ১৫৫ রান করেছিলেন তিনি। দুবাইয়ে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ৬৮ রানে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা, যেখানে ৬২ রান এসেছিল চান্ডিমালের ব্যাটে। এরপর ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে শ্রীলঙ্কা, যেখানে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিল ১৯ রানের।
হঠাৎ করে দলের সঙ্গে তার ফর্ম পড়ে যাওয়ার রহস্য নিজেই জানালেন চান্ডিমাল, ‘আমি যে কারও কাছ থেকে আশীর্বাদ নিতে প্রস্তুত, সে পাদ্রী হোক কিংবা ডাকিনী। আপনার প্রতিভা থাকতে পারে, কিন্তু এই আশীর্বাদ ছাড়া আপনি সামনে এগোতে পারবেন না।’ চান্ডিমাল জানান, ওই ডাকিনী ছিলেন তার বন্ধুর মা।
শ্রীলঙ্কার তারকা খেলোয়াড়দের জ্যোতিষতত্ত্ব বা ডাকিনীবিদ্যায় বিশ্বাস থাকা নতুন কিছু নয়। দেশটির রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতাদেরও আস্থা রয়েছে এতে। সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসে তার ব্যক্তিগত জ্যোতিষীর পরামর্শে জাতীয় নির্বাচন দুই বছর এগিয়ে এনেছিলেন। কিন্তু সফল হননি, মাইথ্রিপালা সিরিসেনার কাছে হেরে যান শোচনীয়ভাবে। এনডিটিভি, বিবিসি