স্টেডিয়াম নিয়ে মাহমুদউল্লাহ-বাশারদের মুগ্ধতা

সিলেট স্টেডিয়ামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ খুলনা টাইটানসের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ছবি-ফেসবুকসিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের চারপাশের নয়নাভিরাম দৃশ্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ছয়টি ম্যাচ এখানে হলেও বাংলাদেশের কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ এই স্টেডিয়ামে হয়নি। অবশ্য ঘরোয়া ক্রিকেটের বেশ কয়েকটি ম্যাচ এখানে হয়েছে। তবে এবারের বিপিএলে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ ক্রিকেটার এই মাঠে খেলেননি।

মাহমুদউল্লাহ সেই দলে নেই। শুক্রবার বিপিএলের সাতটি দলই অনুশীলন করেছে সিলেট স্টেডিয়ামে। সবাই স্টেডিয়ামটির সৌন্দর্যে মুগ্ধ। আগে এখানে খেললেও খুলনা টাইটানসের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ অভিভূত, ‘খুব ভালো লাগছে। এখানে আম্বার কাপে খেলেছিলাম। আগের চেয়ে বেশি সুন্দর লাগছে গ্যালারিটা। আশা করি, উইকেট ভালো হবে, দর্শকরা আনন্দ নিয়ে খেলা দেখতে পারবে। আমরা দুটি ম্যাচ খেলবো এখানে। আশা করি, জয়ের সুখস্মৃতি নিয়েই ঢাকায় ফিরতে পারবো।’

খুলনা টাইটানসের পরামর্শক হাবিবুল বাশার সুমন মাঠের প্রশংসা করে বললেন, ‘এটা অসাধারণ ভেন্যু। উইকেট দারুণ, তাই অনেক রান আসবে বলে মনে হয়। আউটফিল্ড খুব ভালো, ড্রেনেজ সিস্টেম অসাধারণ, অনেকটা মিরপুরের মতো। সিলেট সবুজের শহর। এটা বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর স্টেডিয়াম।’

ঢাকা ডায়নামাইটসের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও সিলেট স্টেডিয়ামের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের অভিমত, ‘সিলেট আমার সব সময়ের প্রিয় জায়গা। এখানে অনেক বেড়ানোর জায়গা আছে, সুন্দর সুন্দর হোটেল আছে। স্টেডিয়ামটা দেখতে বিদেশি স্টেডিয়ামের মতো। এটা আসলে অনন্য স্টেডিয়াম, এখানকার পরিবেশও খুব ভালো।’

এখানে আম্বার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে খেলেছিলেন মাশরাফি মুর্তজা। রংপুর রাইডার্স অধিনায়কের কণ্ঠেও ভেন্যু নিয়ে মুগ্ধতা, ‘তিন-চার বছর আগে এখানে একটা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলতে এসেছিলাম। আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। গ্যালারি বড় হয়েছে, চারটা ড্রেসিংরুম হয়েছে। এই স্টেডিয়ামের মাঠ, গ্যালারি, ড্রেসিংরুম সব কিছুই আন্তর্জাতিক মানের।’