ভয়ই পাইয়ে দিয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম! এই স্পিনার খুলনার ব্যাটসম্যানদের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন ত্রাস হয়ে। বোল্ড করে তিনি ফেরান দুই ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত (৭) ও চ্যাডউইক ওয়ালটনকে (১১)। দুই বলের ব্যবধানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর খুলনার হাল ধরেন মাইকেল ক্লিঙ্গার। খানিক সময় সঙ্গ দিয়েছেন তাকে রাইলি রোসো। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকান এই ব্যাটসম্যান রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে ধরা পড়েন ক্রিসমার সান্তোকির হাতে। উইকেট শিকারি সেই তাইজুল। ৪৩ রানে খুলনার হারানো ৩ উইকেটের সবটাই এই স্পিনারের।
সিলেটের আশার পালে হাওয়া লেগেছিল তখন খুব। যদিও সেটা স্থায়ী হয়নি বেশিক্ষণ। মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গী নিয়ে জয়ের পথটা তৈরি করেন ক্লিঙ্গার। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ২৭ রান করে আউট হলেও হার না মানা ৪৭ রানের ইনিংস খেলে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন ক্লিঙ্গার। ৩৬ বলে ৫ বাউন্ডারিতে সাজানো তার ইনিংসটির চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় কার্লোস ব্রাথওয়েটের ইনিংসটি। মাঠে নেমে ১৬ বলে হার না মানা ২৩ রানের ইনিংস খেলে খুলনার জয়টা আগেভাগে নিশ্চিত করেছেন ক্যারিবিয়ান এই অলরাউন্ডার।