১৬ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে বেশ অস্বস্তিতেই ছিল খুলনা। ক্রিজে তখন আরিফুলের সঙ্গী ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, যিনি ছক্কা মারতে দক্ষ। কিন্তু ব্র্যাথওয়েট নন, খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন আরিফুল, লেগস্পিনার তানভীর হায়দারের করা ১৮তম ওভারে তিন ছক্কায় তুলে নিয়েছেন ২৪ রান।
পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় মিসবাহ একই সঙ্গে হতাশ ও বিস্মিত, ‘আমরা ব্র্যাথওয়েটকে স্পিন খেলানোর পরিকল্পনা করেছিলাম। কারণ সবাই জানে, সে পেস বল খুব ভালো খেলে। ব্র্যাথওয়েট আসার পর প্রথমে বাঁহাতি স্পিনার, তারপর লেগস্পিনার এনেছি। তাকে আউট করার জন্যই এটা করেছিলাম। কিন্তু ব্র্যাথওয়েটকে বোলিং করার সুযোগই দিল না স্থানীয় ছেলেটি (আরিফুল), এক ওভারেই নিয়ে ফেললো ২০ রান (আসলে ২৪)। ক্রিকেটে অবশ্য অনেক সময় এমন হয়, পরিকল্পনা কাজে লাগে না।’
১৭১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩৮ রানে চার উইকেট হারানোর পর মিসবাহ আর সিকান্দার রাজার দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল ভাইকিংস। কিন্তু দুজনের ৫৯ রানের জুটি ভেঙে যাওয়ার পর চট্টগ্রামের দলটি হার এড়াতে পারেনি। সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়েও আফসোস করলেন মিসবাহ, ‘আমি আর সিকান্দার ব্যাট করার সময় ম্যাচটা আমাদের হাতেই ছিল। কিন্তু আমরা ম্যাচ শেষ করে আসতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত থাকতে পারলে হয়তো আমরাই জিততাম।’