আগামী জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা আর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে বিসিবি। এরপর শ্রীলঙ্কার সঙ্গে দুটি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ।
সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে পরবর্তী কোচ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘শ্রীলঙ্কা সিরিজ শুরু হওয়ার আগে বিদেশি কোচ না পেলে অন্তর্বর্তী কোচ হিসেবে স্থানীয় কেউ দায়িত্ব পালন করবেন। খালেদ মাহমুদ সুজনের এই দায়িত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।’
হাথুরুসিংহের হঠাৎ পদত্যাগ বাংলাদেশকে কতটা বিপদে ফেলে দিয়েছে? এমন প্রশ্নে নাজমুল হাসানের উত্তর, ‘আমার তা মনে হয় না। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম টেস্টের পর হাথুরুসিংহে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছিলেন। এমনকি ২০১৯ বিশ্বকাপ নিয়েও পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। আমার মনে হয় না তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত পূর্ব পরিকল্পিত। অবশ্য দ্বিতীয় টেস্ট শেষ হওয়ার পরই তার কাছ থেকে ঘোষণা এসেছে।’
ঠিক কী কারণে শ্রীলঙ্কান কোচ পদত্যাগ করলেন, তা অবশ্য জানাতে পারেননি বোর্ড সভাপতি, ‘তিনি পরিষ্কার করে আমাদের কিছু বলেননি। আমরা অবশ্য হাথুরুসিংহের জন্য অপেক্ষা করছি না, অপেক্ষা করছি তার রিপোর্টের জন্য। তিনি বলেছেন, দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দেবেন। তখনই হয়তো জানতে পারবো, কী কারণে চলে গেলেন তিনি।’
অনেকের ধারণা, সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে আর টাইগারদের কোচের দায়িত্বে থাকতে রাজি নন হাথুরুসিংহে। নাজমুল হাসান অবশ্য এমন ধারণা উড়িয়ে দিলেন, ‘সমস্যার কথা তো মিডিয়াতেই বেশি আসতো! কিন্তু আমি কোনও সমস্যা দেখিনি। আমরা পাঁচজনকে সিনিয়র খেলোয়াড় ধরি। মাশরাফি-তামিম-সাকিবের কাছে কখনও কিছু শুনিনি। রিয়াদের (মাহমুদউল্লাহ) কারও সঙ্গেই কোনও সমস্যা নেই। মুশফিক অবশ্য বেশ কিছু কথা বলেছে সম্প্রতি। এর প্রেক্ষিতে কোচ হয়তো কিছু ভাবতে পারেন। তারপরও আমি বলবো, এগুলো কোনও সমস্যাই নয়।’