চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের নেটে ব্যাটিং শেষ করে শান্ত বললেন, “কোচ আমাকে বলেছেন, ‘তোমার ব্যাটিং ভালো হচ্ছে। তোমাকে সব ধরনের শট খেলার জন্য রেডি থাকতে হবে।’ আসলে আমাকে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন মাহেলা।’
বিপিএলে খুলনা টাইটানসের হয়ে খেলা এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানের সময়টা ভালো যাচ্ছে না। শুরুটা ভালো করলেও ইনিংস বড় করতে পারছেন না শান্ত। খুলনার আটটি ম্যাচেই একাদশে ছিলেন। বৃষ্টিতে একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। বাকি সাত ম্যাচে ব্যাটিং করার সুযোগ পেলেও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। পাঁচবার ওপেন করলেও একবার পাঁচ নম্বরে এবং আরেকবার সাত নম্বরে ব্যাটিং করেছেন তিনি।
ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তনের কারণেই কি সমস্যা হচ্ছে? এমন প্রশ্নে বাংলা ট্রিবিউনকে শান্ত বলেছেন, ‘আসলে এটা তেমন কোনও সমস্যা নয়। দল যেখানে চাইবে, আমি সেখানেই চেষ্টা করবো। কোথায় ব্যাটিং করছি সেটা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। চাইলে সব জায়গায় ব্যাটিং করা যায়।’
গতবারের মতো এবারও খুলনার টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা রান পাচ্ছেন না। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর মতো শান্তও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত, ‘অবশ্যই এটা চিন্তার বিষয়। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি, আস্তে আস্তে উন্নতিও করছি। আশা করি সামনের ম্যাচগুলোতে এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবো।’
শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং কিংবদন্তি জয়াবর্ধনেকে খুলনা টাইটানসের কোচ হিসেবে পেয়ে শান্ত উচ্ছ্বসিত, ‘মাহেলার সঙ্গে কাজ করে ভালো লাগছে। রান করি বা না করি, তিনি সব সময় ইতিবাচক কথা বলেন, ব্যাটিং টিপস দিয়ে সাহায্য করেন। ভবিষ্যতে এর সুফল অবশ্যই পাবো।’