মেহেদী হাসান (৪/২২) ও সাইফউদ্দিনের (৩/২২) দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৭.১ ওভারে রংপুর অলআউট হয় মাত্র ৯৭ রানে। জবাবে মাশরাফি বিন মুর্তজা (৩/২৪) ও নাজমুল ইসলামের (২/১৭) চমৎকার বোলিংয়ে এই স্কোর পেরোতেই কুমিল্লাকে খেলতে হয় ১৯.৩ ওভার পর্যন্ত।
স্কোর বেশি না হওয়ায় বোলিংয়ে দারুণ শুরুর প্রত্যাশায় ছিল রংপুর। সেটা তারা পেয়েও যায়। মাশরাফির আঘাতে ৩ রান করে ফেরেন লিটন দাস। তামিম ইকবাল ক্রিজে বেশ খানিক সময় টিকে থাকলেও রংপুরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সুবিধা করতে পারেননি। সোহাগ গাজীর শিকার হয়ে কুমিল্লার অধিনায়ক ফেরেন ২২ বলে ২২ রান করে।
জস বাটলারও ব্যর্থ, ৯ বলে করেন মাত্র ৫ রান। টেস্ট মেজাজে ব্যাটিং করেও টিকতে পারেননি ইমরুল কায়েস (২৬ বলে ১৪)। শোয়েব মালিককেও হাত খুলতে দেয়নি মাশরাফিরা। নাজমুলের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ২৪ বলে এই অলরাউন্ডার করেন ২০ রান।
অল্প রানের স্কোর হলেও ম্যাচের উত্তেজনার টিকে থাকে শেষ দুই ওভার পর্যন্ত। ১৯তম ওভারে আগের বলে মাশরাফি ডেলিভারিতে সাইফউদ্দিন (৫) আউট হলে ম্যাচ জমে যায় আরও। কিন্তু পরের বলে নতুন ব্যাটসম্যান হাসান আলী ছক্কা মারলে ম্যাচ থেকে আবার ছিটকে যায় রংপুর।
শেষ ওভারে তখন জয়ের জন্য কুমিল্লার দরকার পড়ে ২ রান। ইসুরু উদানা প্রথম দুই বল ডট দিলেও তৃতীয় বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন মারলন স্যামুয়েলস (১৬*)।