রংপুরের বিপক্ষে শুরুতে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে খুলনাকে। প্রথম ওভারে মাত্র ১ রান নেয় তারা। চার ওভার শেষে মাত্র ২১ রান, তাও চলে যায় একটি উইকেট। একে একে মাহমুদউল্লাহ ও মাইকেল ক্লিঙ্গারের মতো মারকুটে ব্যাটসম্যানরাও ফিরে গেলে খুলনার বড় স্কোর নিয়ে শঙ্কা দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের ছোটখাটো ঝড়ে দেড়শ রানের কোটা পার করে গত আসরের তৃতীয় দল।
মিরপুরে শুক্রবার টস জিতে রংপুর ব্যাটিংয়ে পাঠায় খুলনাকে। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে সোহাগ গাজী ফিরতি ক্যাচ ধরে ভাঙেন উদ্বোধনী জুটি। ১৬ বলে ১৫ রানে থামেন খুলনার ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত।
এর এক ওভার পরে লাসিথ মালিঙ্গা মাত্র ১১ রানে আফিফ হোসেনকে বোল্ড করেন। মাহমুদউল্লাহ দুটি করে চার ও ছয় মেরে শুরুর ক্ষতি পুষিয়ে দিচ্ছিলেন। কিন্তু নাজমুল ইসলামের বলে লং অনে গাজীকে ক্যাচ দেন খুলনা অধিনায়ক, ৬ বলে দুটি করে চার ও ছয়ে ২০ রান করেন তিনি। সতর্ক ব্যাটিং করা মাইকেল ক্লিঙ্গার বোল্ড হন রবি বোপারার কাছে। এ ওপেনার ২৬ বলে ২১ রান করেন মাত্র একটি বাউন্ডারিতে। নিকোলাস পুরান ও আরিফুল হকের জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে তারা। তাদের ৪০ রানই ছিল ইনিংসের সেরা জুটি।
রংপুরের পক্ষে লাসিথ মালিঙ্গা সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন। একটি করে পান নাজমুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, সোহাগ গাজী ও রবি বোপারা।
গত মৌসুমে প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলেছিল খুলনা। এবার তারা খেলছে এলিমিনেটরে। জিতলে সুযোগ পাবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। নয়তো শুক্রবারই শেষ হবে তাদের বিপিএলে পথচলা।
এই আসরে দুইবারের দেখায় রংপুরের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জিতেছিল খুলনা। কিন্তু সর্বশেষ ম্যাচে তারা হেরে যায়। দুটি বদল নিয়ে রংপুরের মুখোমুখি খুলনা। জোফরা আর্চার এসেছেন বেনি হাওয়েলের জায়গায়। আর মোশাররফ হোসেনের ইনজুরিতে সুযোগ পেয়েছেন তানভীর ইসলাম।