টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা নিউজিল্যান্ডের স্কোর বাড়িয়ে নেন দু্ই ওপেনার রাভাল ও টম ল্যাথাম। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ৬৫ রান। ল্যাথামের আউটে ভাঙে তাদের জুটি। মিগেল কামিন্সের বলে উইকেটরক্ষক শেন ডওরিচের গ্ল্যাভসে ধরা পড়ার আগে এই ওপেনার করেন ২২ রান। পরের উইকেটে জুটিটা আরও বড়। এবার অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে নিয়ে রাভাল গড়েন ৮৯ রানের জুটি। এর মধ্যে রাভাল আবার তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ হাফসেঞ্চুরি। উইলিয়ামসনও হাঁটছিলেন হাফসেঞ্চুরির পথে। যদিও পূরণ করতে পারেননি, ৪৩ রান করে কামিন্সের দ্বিতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।
এরপরই শুরু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং তোপ। দারুণ খেলতে থাকা রাভালকে ৮৪ রানে ফিরিয়ে শুরুটা করেন শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। ডওরিচের গ্ল্যাভসে ধরা পড়ার আগে ১৫৭ বলের ইনিংসটিতে রাভাল বল বাউন্ডারি ছাড়া করেছেন ১৫বার। তার আউটের পর ভালো শুরু করে ফিরে যান রস টেলর, ১৬ রান করেন সাবেক এই অধিনায়ক। হেনরি নিকোলসও ব্যর্থ (১৩)।
দ্রুত ৪ উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ডকে পথে ফেরান কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও মিচেল স্যান্টনার। ষষ্ঠ উইকেটে তারা গড়েন ৭৬ রানের জুটি। আগের ম্যাচের ঝড়ো সেঞ্চুরিয়ান ডি গ্র্যান্ডহোম হ্যামিল্টন টেস্টে পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরির দেখা। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া স্যান্টনার ২৪ রান করে ফেরেন প্যাভিলিয়নে। ডি গ্র্যান্ডহোমও দিনের শেষদিকে আউট হয়ে যান। ওয়ানডে ধাঁচে ব্যাটিং করে এই ব্যাটসম্যান ৬৩ বলে করে যান ৫৮ রান। তার আউটের পর দিনের খেলা শেষ করেছেন টম ব্লানডেল (১২*) ও নাইল ওয়াগনার (১*)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সবচেয়ে সফল বোলার গ্যাব্রিয়েল। এই পেসার ৭৯ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ৩৭ রানে কামিন্সের শিকার ২ উইকেট। ক্রিকইনফো
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
(প্রথম দিন শেষে)
নিউজিল্যান্ড: প্রথম ইনিংসে ৮৭ ওভারে ২৮৬/৭ (রাভাল ৮৪, ডি গ্র্যান্ডহোম ৫৮, উইলিয়ামসন ৪৩, স্যান্টনার ২৪, টেলর ২২; গ্যাব্রিয়েল ৩/৭৯, কামিন্স ২/৩৭)।