‘ভাগ্যবান’ ওয়ার্নারের সেঞ্চুরিতে দিনটা অস্ট্রেলিয়ার

সেঞ্চুরি উদযাপন ওয়ার্নারেরঅ্যাশেজের নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। দুই ম্যাচ হাতে রেখে অস্ট্রেলিয়া ‘ছাইদানি’ পুনরুদ্ধার করলেও উত্তেজনা কিন্তু একটুও কমেনি। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের চতুর্থ টেস্ট উপভোগ করতে ৮৮ হাজার দর্শক এসেছিলেন মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। তাদের হতাশ করেননি ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভেন স্মিথ। একজনের ‘সৌভাগ্যে’ পাওয়া সেঞ্চুরি, অন্যজনের হাফসেঞ্চুরিতে প্রথম দিনটা নিজেদের করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ৩ উইকেটে ২৪৪ রান তাদের।

মঙ্গলবার টস জিতে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। ক্যামেরন ব্যানক্রফটের সঙ্গে ১২২ রানের জুটি গড়েন ওয়ার্নার। ৯৫ বলে ২৬ রানে ক্রিস ওকসের এলবিডাব্লিউ হন ব্যানক্রফট।

কিছুক্ষণ পর সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরী হয় মাঠে, যখন ৯৯ রান করে ছয় হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন ওয়ার্নার। এরপরই দর্শকদের নিস্তব্ধ করে দেন অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা টম কুরান। তার বলে শর্ট-আর্ম পুল করতে গিয়ে সরাসরি মিড অনে স্টুয়ার্ট ব্রডকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথে হতবিহ্বল এই ব্যাটসম্যান। কুরানও তার প্রথম উইকেট নেওয়ায় সতীর্থদের অভিনন্দনে সিক্ত। কিন্তু আম্পায়ার টিভি রিপ্লেতে দেখতে পেলেন ‘ওভারস্টেপ’ করেছেন ইংলিশ পেসার। নো বল ডেকে ওয়ার্নারকে ফিরিয়ে আনা হয়।

কুরানকে সুযোগ পেয়ে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না ওয়ার্নারসৌভাগ্যবান ওয়ার্নার তার ২১তম টেস্ট সেঞ্চুরি পেতে খুব বেশি দেরী করেননি। ১৩০ বলে ১৩ চার ও ১ ছয়ে ১০০ রান করেন তিনি। সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি অসি ওপেনার। ১০৩ রানে তিনি জেমস অ্যান্ডারসনের শিকার হন।

অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথকে বেশিক্ষণ সময় দিতে পারেননি উসমান খাজা (১৭)। তৃতীয় উইকেট হারানোর পর ৩১.৫ ওভার শক্ত প্রতিরোধ গড়ে দিন শেষ করেছেন স্মিথ ও শন মার্শ। ৮৪ রানের অপরাজিত জুটিটি নামবে দ্বিতীয় দিন সকালে। স্মিথ ৬৫ ও মার্শ ৩১ রানে অপরাজিত আছেন।