অবশ্য যে কোনও সিরিজের স্কোয়াড বাছাই করবে শ্রীলঙ্কার নির্বাচক প্যানেল। যার প্রধান গ্রেইম ল্যাব্রয়। তাদের বেছে দেওয়া স্কোয়াডের ওপরই এখন ছড়ি ঘোরাবেন হাথুরুসিংহে।
শ্রীলঙ্কার কোচদের অবশ্য এমন ক্ষমতা আগে ছিল না। তাদের ক্রীড়া আইনেই এমন বিধি নিষেধ ছিল এতদিন। কিন্তু হাথুরুসিংহে এমনটি চেয়েছেন বলেই রবিবার তাদের বোর্ড সভায় দল নির্বাচনে বিদ্যমান রীতি পাল্টাতে সম্মত হয় বোর্ড। এ প্রসঙ্গে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সুমাথিপালা জানান, ‘হাথুরুসিংহের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘ সময় আলোচনা হয়েছে। দলের সেরাটা পেতে তার শতভাগ সহযোগিতা প্রয়োজন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘যদি শীর্ষ কোচের সহায়তা চান তাহলে তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতাই করতে হবে।’
বোর্ড সভাপতির এমন সমর্থন আছে বলেই এই প্রথম কোচকে দল নির্বাচনের ক্ষমতা দিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। যদিও তার এই ক্ষমতা একচেটিয়া নয়। কারণ এখানে মাথা ঘামাবেন টিম ম্যানেজার ও অধিনায়কও। টিম ম্যানেজার গুরুসিনহা নির্বাচক প্যানেলের অন্যতম সদস্য হিসেবে আগে থেকেই ছিলেন।
সেই হিসেবে বাংলাদেশে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার আগে সবরকম ক্ষমতা নিয়েই আসছেন হাথরুসিংহে। যদিও তাদের ওয়ানডে অধিনায়ক কে হবেন সেই সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। নতুন অধিনায়কের নাম জানা যাবে ৯ জানুয়ারি।