অস্ট্রেলিয়ায় ওয়ানডে সিরিজ জিতলো ইংল্যান্ড

স্মিথের ক্যাচ ধরে সতীর্থদের অভিবাদন পেলেন বাটলারজস বাটলারের চমৎকার সেঞ্চুরি এবং বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে দুই ম্যাচ হাতে রেখে অস্ট্রেলিয়ায় ওয়ানডে সিরিজ জিতলো ইংল্যান্ড। মার্কুস স্তোইনিস শেষ ওভার পর্যন্ত স্বাগতিকদের আশা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। তবে ডেথ ওভারে ক্রিস ওকস ও মার্ক উডের নিখুঁত বোলিং ইংলিশদের এনে দেয় ১৬ রানের জয়।

ইংল্যান্ড আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩০২ রান করে। জবাবে ৬ উইকেটে ২৮৬ রানে থামে অস্ট্রেলিয়া। সিডনিতে রবিবারের এই জয়ে ৫ ম্যাচের সিরিজ ৩-০ তে নিশ্চিত করলো সফরকারীরা।

আগের দুই ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া রান তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ড। সেটা মাথায় রেখে তৃতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ইংলিশদের আগে ব্যাট করতে পাঠান স্বাগতিক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

তার সিদ্ধান্তটা যে ভুল ছিল, সেটা বলা যাবে না। ১৮৯ রানে ইংল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নেয় অসিরা। এরপর বাটলার ও ওকসের সঙ্গে আর পেরে ওঠেনি বোলাররা। তাদের অবিচ্ছিন্ন ১১৩ রানের জুটিতে তিনশ পেরিয়ে যায় সফরকারীদের স্কোর। ইনিংসের শেষ বলে পঞ্চম ওয়ানডে সেঞ্চুরি পান ৯৭ রানে জীবন পাওয়া বাটলার। সেঞ্চুরি থেকে ৩ রান দূরে থাকতে মিচেল স্টার্কের এলবিডাব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার আঙুল তোলেন। কিন্তু এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান রিভিউ নিয়ে টিকে থাকেন।

শেষ বলে সেঞ্চুরি করলেন বাটলার৮৩ বলে ৬ চার ও ৪ ছয়ে ১০০ রানে অপরাজিত ছিলেন বাটলার। ওকস খেলেছেন ৩৬ বল, ৫ চার ও ২ ছয়ে ৫৩ রানে টিকে ছিলেন। ইংল্যান্ডের তিনশ ছাড়ানো ইনিংসে অবদান ছিল এউইন মরগান (৪১) ও জনি বেয়ারস্টোর (৩৯)।

জশ হ্যাজেলউড অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন। একটি করে পেয়েছেন স্তোইনিস, মিচেল মার্শ, প্যাট কামিন্স ও অ্যাডাম জাম্পা।

৩০৩ রানের লক্ষ্যে নেমে অস্ট্রেলিয়া ৪৪ রানের মধ্যে হারায় ডেভিড ওয়ার্নার (৮) ও ক্যামেরন হোয়াইটকে (১৭)। ওয়ার্নারকে অ্যালেক্স হেলসের ক্যাচ বানান ওকস। উডের বলে হোয়াইট পেছনে ক্যাচ তুলে দেন বাটলারের হাতে।

গত দুই ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান অ্যারন ফিঞ্চ দায়িত্ব নিয়েছিলেন ভালোভাবে। ইনিংসের সেরা পারফর্মার অবশ্য টানা তৃতীয় সেঞ্চুরি করতে পারেননি। স্মিথের সঙ্গে ৭৯ রানের জুটি গড়ে ফিরতে হয়েছে তাকে। আদিল রশিদের বলে এলবিডাব্লিউ হন ফিঞ্চ, ৫৩ বলে করেন ৬২ রান।

বাটলার, উড ও রশিদের জয় উদযাপনব্যাট হাতে দারুণ খেলা বাটলার পরের উইকেট নিতে অবদান রাখেন। স্মিথকে ৪৫ রানে গ্লাভস বন্দি করেন তিনি। তারপর ধীর গতির উইকেটে মার্শ (৫৫) ও স্তোইনিস (৫৬) হাফসেঞ্চুরি করলেও রানরেট যথেষ্ট বাড়াতে পারেননি।

শেষ ওভারে ২২ রান দরকার ছিল অস্ট্রেলিয়ার। স্তোইনিস ওই ওভারের তৃতীয় বলে আউট হলে সফল হয়নি স্বাগতিকদের শেষ চেষ্টা।

ওকস, উড ও রশিদ সমান দুটি করে উইকেট নেন। অপরাজিত সেঞ্চুরি ও দুটি ডিসমিসালে ম্যাচের সেরা হয়েছেন বাটলার। ক্রিকইনফো