১১ জনই যখন বোলার!

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগরান উৎসব করেছে পূর্বাঞ্চল। মধ্যাঞ্চলকে ফলোঅন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে কাটিয়ে দিয়েছে চতুর্থ দিন। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) ড্র হওয়া এই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিং করেছেন মধ্যাঞ্চলের ১১ খেলোয়াড়ই।

এক ডাবল সেঞ্চুরি ও তিন সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে রানের পাহাড় গড়েছিল পূর্বাঞ্চল। তাদের ৬ উইকেটে ৭৩৫ রানে ইনিংস ঘোষণার পর মধ্যাঞ্চল অলআউট হওয়ার আগে স্কোরে জমা করে ৪২৮ রান। বিপরীতে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে কোনও উইকেট না হারিয়ে পূর্বাঞ্চল করে ২২৬ রান। প্রথম ইনিংসের হতাশা সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে মিটিয়েছেন তাসামুল হক ও মেহেদী মারুফ।

তৃতীয় দিনের ৭ উইকেটে ৩৫২ রান দিয়ে শেষ দিনের খেলা শুরু করে মধ্যাঞ্চল। ২০ রান নিয়ে দিন শুরু করা তাইবুর রহমান তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। তার ৫৬ রানের সঙ্গে ইরফান শুক্কুরের ৩০ ও আবু হায়দারের ২০ রানে অলআউট হওয়ার আগে মধ্যাঞ্চল করে ৪২৮ রান।

মধ্যাঞ্চলকে ফলোঅন না করিয়ে পূর্বাঞ্চল নেমে পড়ে ব্যাটিংয়ে। মেহেদী মারুফ (১১১*) ও তাসামুল হকের (১০৮*) হার না মানা সেঞ্চুরির সঙ্গে ক্রিকেট দেখেছে অদ্ভুত এক দৃশ্য। মধ্যাঞ্চল তাদের ১১ খেলোয়াড়ের সবাইকে দিয়ে বোলিং করিয়েছে। নিয়মিত বোলার তাসকিন আহমেদ, আবু হায়দার, মোশাররফ রুবেল, তানবীর হায়দার, শুভাগত হোমের সঙ্গে বল হাতে তুলে নিয়েছিলেন মেহরাব হোসেন জুনিয়র, রবিউল ইসলাম রবি, রকিবুল হাসান, ইরফান শুক্কুর, সাদমান ইসলাম ও মার্শাল আইয়ুব। যদিও ১১ বোলার চেষ্টা চালিয়েও ফেলতে পারেননি পূর্বাঞ্চলের কোনও উইকেট।

ড্র হয়েছে উত্তরাঞ্চল-দক্ষিণাঞ্চলের ম্যাচটিও। প্রথম ইনিংসে উত্তরাঞ্চলের ৪০৮ রানের জবাবে দক্ষিণাঞ্চল তাদের ইনিংসে অলআউট হয় ৪৩৩ রানে। পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা উত্তরাঞ্চল জুনায়েদ সিদ্দিকী ও আরিফুল হকের সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে ৩৫৬ রান করলে ড্র মেনে নেয় দুদল। জুনায়েদ খেলেছেন ১৫০ রানের ইনিংস, যাতে ছিল ১৬ চারের সঙ্গে ১ ছক্কার মার। আর আরিফুল অপরাজিত ছিলেন ১০৩ রানে। টি-টোয়েন্টি মেজাজে ব্যাটিং করে তিনি ৮৩ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন ৬ চার ও ৬ ছক্কায়।