অ্যাডিলেডে শুক্রবার চতুর্থ ওয়ানডেতে প্যাট কামিন্সের বোলিং নৈপুণ্যের পর ট্রাভিস হেডের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়া জিতেছে ৩ উইকেটে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৩-১ এ এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড।
৪৪.৫ ওভারে ১৯৬ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। ৩৭ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯৭ রান করে অস্ট্রেলিয়া।
টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠান স্টিভেন স্মিথ। জশ হ্যাজেলউড ও প্যাট কামিন্সের তোপে পড়ে মাত্র ৮ রানে ৫ উইকেট হারায় সফরকারীরা। হ্যাজেলউডের শিকার হন জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টো ও জস বাটলার। তিনজনকেই রানের খাতা খুলতে দেননি এই অসি পেসার। কামিন্স তার টানা দুই ওভারে ফেরান অ্যালেক্স হেলস (৩) ও জো রুটকে (০)।
এই বিপর্যয়ে অধিনায়ক এউইন মরগান ও মঈন আলী হাল ধরেন। মরগানকে (৩৩) ফিরিয়ে এই ৫৩ রানের জুটিও ভাঙেন কামিন্স। ক্রিস ওকসের সঙ্গে ৫১ রানের জুটি গড়ে আবার ধাক্কা সামলান মঈন। মিচেল স্টার্কের বদলে একাদশে আসা এন্ড্রু টাই তাদের বিচ্ছিন্ন করেন। মঈনকে ৩৩ রানে আউট করেন এই ডানহাতি পেসার। পরের ওভারেই কামিন্স তার চতুর্থ উইকেট নেন আদিল রশিদকে (৭) ফিরিয়ে।
১২০ রানে ৮ উইকেট হারানো ইংল্যান্ডকে আরেকটু এগিয়ে নিতে নবম উইকেটে ইনিংসের সর্বোচ্চ জুটি গড়েন ওকস ও টম কারান। ৬০ রানের এ জুটি ভাঙেন টাই। ৭৮ রানের সেরা ইনিংস খেলে বিদায় নেন ওকস। কারানকে ৩৫ রানে আউট করে ৪৪.৫ ওভারে সফরকারীদের অলআউট করেন টাই।
সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন কামিন্স। হ্যাজেলউড ও টাই ঝুলিতে পুরেছেন তিনটি করে উইকেট।
লক্ষ্য থেকে ১৭ রান দূরে থাকতে ৫ রানের ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়া তাদের ষষ্ঠ ও সপ্তম উইকেট হারালে ম্যাচে নাটকীয়তার সম্ভাবনা জেগেছিল। হেডকে মাত্র ৪ রানের আক্ষেপে রেখে মরগানের ক্যাচ বানান মার্ক উড। ১০৭ বলে ১৫ চারে ৯৬ রান করেন অসি ওপেনার। এক ওভার পর কামিন্সকে (৩) কারানের থ্রো থেকে রান আউট করেন উড।
ইংল্যান্ডের ম্যাচে ফেরার এই উত্তেজনা শেষ হয় আর ৫ বল খেলে। টিম পেইন ২৫ ও টাই ৩ রানে অপরাজিত থেকে ৩৭ ওভারে দলকে জয়ের বন্দরে নেন।
ইংল্যান্ডের পক্ষে সবচেয়ে বেশি ৩ উইকেট নেন রশিদ। ম্যাচের সেরা হয়েছেন কামিন্স। ক্রিকইনফো