অভিষেকে হ্যাট্রটিক, তাইজুল-রাবাদার পাশে মাদুশানকা

হ্যাটট্রিকের পর মাদুশানকাকে ঘিরে সতীর্থদের উল্লাসজীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ, তাও আবার ফাইনাল। বাংলাদেশের বিপক্ষে শেহান মাদুশানকার চাপে থাকার কথা। কিন্তু এমন ম্যাচেই কিনা তিনি করলেন দুর্লভ এক কীর্তি। চতুর্থ বোলার হয়ে ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করলেন শ্রীলঙ্কার এ ডানহাতি পেসার। তার বোলিং ফিগার ৬.১-১-২৬-৩।

ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য শ্রীলঙ্কার দল ঘোষণার পর থেকে আলোচনা হচ্ছিল মাদুশানকাকে নিয়ে। গত বছরের শেষ দিকে টি-টেন লিগে তাকে আবিষ্কার করেন বাংলাদেশ থেকে শ্রীলঙ্কার কোচের দায়িত্ব নেওয়া চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। মিডিয়ায় হাথুরুসিংহের নতুন ‘মোস্তাফিজ’ খ্যাতিও পান এই পেসার। কিন্তু জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশের বিপক্ষে লিগের চার ম্যাচে তাকে একাদশেই রাখেননি দল নির্বাচনের ক্ষমতা পাওয়া কোচ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাদুশানকার খেলার অপেক্ষা ফুরায় শনিবার সিরিজের ফাইনালে। বাংলাদেশের ইনিংসে ১৪তম ওভারে বল হাতে নেন তিনি। প্রথম স্পেলে ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ ১৬ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি এ পেসার। ৩৮তম ওভারে আবার বোলিং পান মাদুশানকা। এবার তার ষষ্ঠ ওভারে করেন বাজিমাত। পঞ্চম বলে মাশরাফি মুর্তজাকে ফুল টস দিয়ে কুশল মেন্ডিসের ক্যাচ বানান। পরের বলটির গতির কাছে হার মানেন রুবেল হোসেন, স্টাম্প ভেঙে যায়।

হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা নিয়ে নিজের সপ্তম ওভার বল করতে যান মাদুশানকা। মাহমুদউল্লাহকে এক্সট্রা কভারে থারাঙ্গার ক্যাচ বানিয়ে তাইজুল ইসলাম, কাগিসো রাবাদা ও ওয়াভিন্দু হাসারাঙ্গাদের দলে ঢুকে যান এই ২২ বছর বয়সী পেসার।

২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করেন তাইজুল। বাংলাদেশি স্পিনারের এই রেকর্ডে ভাগ বসান রাবাদা। পরের বছর মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেকে পরপর তিন উইকেট তুলে নেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার। দ্বিতীয় লঙ্কান হিসেবে প্রথম ওয়ানডেতে হ্যাটট্রিক করলেন মাদুশানকা। গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এ সাফল্য পান হাসারাঙ্গা। ক্রিকইনফো