শনিবার চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সিরিজটি সম্প্রচার করা গাজী টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘এমন উইকেটে সাকিবকে খুব প্রয়োজন ছিল। বাংলাদেশ দল সাকিবকে খুব মিস করছে।’
সাকিবের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের বোলিংয়ের দৈন্যদশা ফুটে উঠেছে ভালোভাবে। শ্রীলঙ্কার রানের পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে স্বাগতিকরা এখন হারের শঙ্কায়। দলের স্পিনারদের পারফরম্যান্সে একদমই সন্তুষ্ট নন সুনীল যোশি, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্পিনারদের লাইন-লেন্থ বজায় রেখে বোলিং করা। টেস্ট ক্রিকেটে সব সময় ধৈর্য ধরতে হয়। যে স্পিনার ধৈর্য ধরতে পারবে, তার সফল হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি।’
দলের বোলারদের প্রতি ভারতের সাবেক বাঁহাতি স্পিনারের উপদেশ, ‘বোলারদের ধারাবাহিকভাবে ভালো বোলিং করা শিখতে হবে। একটি সেশনে ব্যর্থ হলে হতাশা ঝেরে ফেলে পরের সেশনে জ্বলে ওঠার চেষ্টা করতে হবে। আশা করি, টেস্ট ক্রিকেটে কীভাবে সাফল্য পাওয়া যায় সেটা তারা দ্রুত শিখতে পারবে।’
টেস্ট ক্রিকেটে প্রচুর ‘ডট’ বল হলেও এক্ষেত্রে চট্টগ্রামে তেমন সফল নন বাংলাদেশের বোলাররা। প্রায় ২০০ ওভার বল করে মাত্র ২৫টি মেডেন পেয়েছেন তারা। এ বিষয়ে স্পিন বোলিং কোচের অভিমত, ‘স্পিনারদের ডট বল দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও দক্ষ হতে হবে। টেস্ট ক্রিকেটে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, শিগগিরই তারা এটা শিখতে পারবে।’