কোহলি পেয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৪তম সেঞ্চুরি। তার হার না মানা ১৬০ রানের অসাধারণ ইনিংসে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ভারত ৬ উইকেট হারিয়ে স্কোরে জমা করে ৩০৩ রান। জবাবে যুজভেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণিতে প্রোটিয়ারা ৪০ ওভারেই গুটিয়ে যায় মাত্র ১৭৯ রানে। যাতে ৬ ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত।
এই সফরের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে একটি সেঞ্চুরিও ছিল না যে কোহলির, সেই তিনই তিন ওয়ানডের মধ্যে দুটিতে পেলেন শতকের দেখা। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে রোহিত শর্মাকে হারিয়ে শুরুতে ধাক্কা খেলেও আরেক ওপেনার শিখর ধাওয়ানকে নিয়ে তা কাটিয়ে উঠেন কোহলি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেন ১৪০ রান। দুজনই পূরণ করেন হাফসেঞ্চুরি। তবে ধাওয়ান ৭৬ রানে থামেন জেমি দুমিনির শিকার হয়ে।
ধাওয়ান থাকলেও রান উৎসবের ধারা কেপটাউনের সচল রাখেন কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের শাসন করে পেয়ে যান ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৪তম সেঞ্চুরি। তাকে আউটই করতে পারেননি স্বাগতিক বোলাররা। ১৫৯ বলের হার না মানা ইনিংসটি সাজিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক ১২ চার ও ২ ছক্কায়। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা কোহলির ইনিংসটার কারণেই আজিঙ্কা রাহানে (১১), হার্দিক পান্ডিয়া (১৪), মহেন্দ্র সিং ধোনি (১০) ও কেদার যাদবের (১) ব্যর্থতার পরও ৩০০ ছাড়ায় ভারতের স্কোর।
কোহলির পর বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন চাহাল ও কুলদীপ। আগের ওয়ানডের পর এই ম্যাচেও তাদের ঘূর্ণিতে কুপোকাত স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইন। ২৩ রান দিয়ে কুলদীপের শিকার ৪ উইকেট। সমান উইকেট চাহালও পেয়েছেন ৪৬ রান খরচায়। তাদের সামনে আত্মসমর্পণ করা প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রানের ইনিংস খেলেছেন দুমিনি। ৩২ রান এসেছে অধিনায়ক এইডেন মারক্রামের ব্যাট থেকে। ক্রিকইনফো