টানা ৭ ম্যাচ হারের পর ভারতের বিপক্ষে জিতলো লঙ্কানরা। দুই বছর আগে ভারতের মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজের শেষ দুটি হেরেছিল তারা। তারপর এশিয়া কাপে একটি ও দুটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজের চার ম্যাচে টানা হারতে থাকে শ্রীলঙ্কা। চন্ডিকা হাথুরুসিংহের ছোঁয়ায় এবার সেই হতাশার বৃত্ত থেকে বের হলো স্বাগতিকরা।
ভারত আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে করে ১৭৪ রান। জবাবে ১৮.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৫ রান করে শ্রীলঙ্কা।
পেরেরার ফেরা হলো দুর্দান্ত। বাংলাদেশে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের মাঝপথে ছিটকে যান এই বাঁহাতি ব্যাটসমান। দ্বিতীয় ওভারে কুশল মেন্ডিস (১১) আউট হলে ক্রিজে নামেন এবং ভারতীয় বোলারদের ওপর চড়াও হন।
পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই শ্রীলঙ্কা তুলে ফেলে ২ উইকেটে ৭৫ রান। দানুশকা গুনাথিলাকাকে (১৯) নিয়ে ৫২ রানের ঝড়ো জুটি গড়েন পেরেরা। ২২ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে অষ্টম হাফসেঞ্চুরি মেরে কুমার সাঙ্গাকারার পাশে বসেন তিনি। শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে এখন যৌথ সর্বোচ্চ হাফসেঞ্চুরির মালিক পেরেরা। দলীয় ১২৭ রানে ওয়াশিংটন সুন্দর তাকে পেছনে দিনেশ কার্তিকের ক্যাচ বানান। ৩৭ বলে ৬ চার ও ৪ ছয়ে ৬৬ রান করেন পেরেরা।
দুটি করে উইকেট নেন যুজবেন্দ্র চাহাল ও ওয়াশিংটন।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে প্রথম দুই ওভারেই দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে বিরাট ধাক্কা দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু বিরাট কোহলিহীন দলটি ঘুরে দাঁড়ায় ধাওয়ানের ব্যাটে। তার হাফসেঞ্চুরিতে ভারত করে ৫ উইকেটে ১৭৪ রান।
ভারত প্রথম উইকেট হারায় ইনিংসের চতুর্থ বলে। দুষ্মন্ত চামিরার বলে জোরে শট নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। মিড অফ থেকে পেছনে দৌড়ে দুর্দান্ত ক্যাচে জীবন মেন্ডিস ফেরান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ককে। ৪ বল খেলেও রানের খাতা না খুলে ফিরে যান রোহিত।
ইনিংসের শেষ বলে রিশভ পান্ত ২৩ রানে চামিরার দ্বিতীয় শিকার হন। ৬ বল খেলে ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন কার্তিক। ক্রিকইনফো