ফতুল্লায় আগে ব্যাট করতে নেমে চার হাফসেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৩০৬ রান করে মোহামেডান। শুরু থেকে ভালো অবস্থানে থাকলেও ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে রানের গতি শেষদিকে বাড়ান সাঈদ সরকার। এরপর মোহাম্মদ আজমের পেসে ৪৮.১ ওভারে ২৬৮ রানে অলআউট হয় শাইনপুকুর।
মাত্র ৯ রানে ইরফান শুক্কুর রিটায়ার্ড হার্ট হলে দুই ভাই জনি তালুকদার ও রনি তালুকদারের ১১০ রানের জুটি শুভ সূচনা এনে দেয়। জনি ৩২ রানে আউট হওয়ার কিছুক্ষণ পর রনি ইনিংস সেরা ৭৭ রানে সাজঘরে ফেরেন।
এরপর অধিনায়ক শামসুর রহমান ও রাকিবুল হাসানের ফিফটিতে আরেকবার প্রতিরোধ গড়ে মোহামেডান। দুজন একসঙ্গে ক্রিজে থেকে ৮৮ রান যোগ করেন। ডেথ ওভারে দ্রুত ৪ উইকেট হারায় তারা। শামসুর ৬০ ও রাকিবুল ৫৫ রানে আউট হন।
এই উইকেট হারানোর মিছিলে দাঁড়িয়ে যান সাঈদ। মাত্র ২২ বলে দুটি চার ও চারটি ছয়ে ফিফটি হাঁকান তিনি। কুমিল্লার এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান ২৫ বল খেলে ৫৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। ম্যাচের সেরা এই খেলোয়াড়ের ঝুলিতে ছিল ২টি চার ও ৫টি ছয়।
শাইনপুকুরের পক্ষে সবচেয়ে বেশি ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
বড় লক্ষ্যে নেমে শাইনপুকুরের ব্যাটসম্যানরা হিমশিম খেতে থাকে। তাইজুল ইসলামের স্পিনের পর আজিমের পেসে তারা ভেঙে পড়ে। কেবল শুভাগত হোম ও সাইফউদ্দিনের হাফসেঞ্চুরি কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল। সাইফ সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন, শুভাগতর ব্যাটে আসে ঝড়ো ৫২ রান। মাত্র ৩২ বলে তিন চার ও পাঁচ ছয়ে এই রান করেন শাইনপুকুরের অধিনায়ক।
আজিম ৪৫ রানে চারটি উইকেট তুলে নেন। তাইজুল ৩ উইকেট নেন ৬৪ রান দিয়ে।
এই জয়ে ৯ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে মোহামেডান। এক পয়েন্ট বেশি নিয়ে ঠিক তাদের উপরে শাইনপুকুর (১০)।