নিদাহাস ট্রফি খেলতে শ্রীলঙ্কায় যাওয়া দলের সঙ্গে গত মঙ্গলবার দেখা করেন সাকিব। সেখানে দুই দিন থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখাতে যান অস্ট্রলিয়ায়।
সাকিবের চিকিৎসার শেষ অবস্থা নিয়ে বিসিবির চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী বলেছেন, 'সাকিব ৯ মার্চ মেলবোর্নের অর্থোপেডিক সার্জন ডাক্তার ডেভিড হয়ের সঙ্গে দেখা করেন। ওখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার সিদ্ধান্ত নেন বড় কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন এই মুহূর্তে নেই। তিনি প্রদাহ বিরোধী একটি ইনজেকশন দিয়েছেন। এই ওষুধটা ধীরে ধীরে কার্যকর হবে।'
সাকিব আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অনুশীলন করতে পারবেন জানালেন দেবাশিষ, 'ওষুধটা কার্যকরী হয় ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে। এর মধ্যেই সাকিব পুরোপুরি অনুশীলনে ফেরার জন্য ফিট হতে পারবেন। তবে মাঠে নামার ফিটনেস ফিরে পেতে আরও একটু সময় লাগবে। কেন না মনস্তাত্ত্বিক একটা ব্যাপার থেকেই যায়। সেটা অবশ্যই সাকিবের ব্যাপার। আপাতত স্পোর্টিং ফিটনেস ফিরিয়ে আনতে আমরা চেষ্টা করছি।'
সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে এসেছিলেন সাকিব। শেখ জামাল ও খেলাঘরের ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ ম্যাচের বিরতিতে তাকে দেখা গেলো মিরপুরের সবজু চত্বরে। সেখানে ব্যাট নিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া ঠিকই করলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার।
ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে আঙুলের চোট পান সাকিব। এরই মধ্যে ব্যাংককে দুজন অর্থোপেডিক সার্জনের শরণাপন্ন হয়েছিলেন তিনি। সেখানে দুই সপ্তাহ সাকিবের আঙুলে থেরাপি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। বিসিবি প্রথমে দেশেই সাকিবের আঙুলে থেরাপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত পাল্টে অস্ট্রেলিয়ায় থেরাপি দেওয়ার কথা জানায় বোর্ড। এরপরই অস্ট্রেলিয়ার অর্থোপেডিক সার্জনকে দেখান সাকিব।
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ইনজুরিতে পড়ে লঙ্কানদের বিপক্ষে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে ছিটকে যান সাকিব। এরপর নিদাহাস ট্রফিতে প্রথমে সুযোগ পেলেও পরবর্তীতে আঙুলের অবস্থা ভালো না হওয়ায় দল থেকে বাদ পড়েন তিনি।