কুশল মেন্ডিসের হাফসেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কার রান ১৫২

আবারও হাফসেঞ্চুরি কুশল মেন্ডিসেরআবারও জ্বলে উঠলো কুশল মেন্ডিসের ব্যাট। টানা দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরির দেখা পেলেন এই ব্যাটসম্যান। অবশ্য তিনি ছাড়া শ্রীলঙ্কার আর কোনও ব্যাটসম্যান সুবিধা করতে পারেননি। তাই কুশল মেন্ডিস ৩৮ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলার পরও ভারতের বিপক্ষে ১৯ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা করতে পেরেছে ১৫২ রান।

বৃষ্টির কারণে নিদাহাস ট্রফির চতুর্থ ম্যাচটি শুরু হয়েছে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা পর। তাই আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের ম্যাচ ১ ওভার কমে দাঁড়ায় ১৯ ওভারে। এই ভারতের বিপক্ষে জয় দিয়েই টুর্নামেন্ট শুরু করা লঙ্কানরা নেমেছিল ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে। আগের ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েও হতাশ হতে হয়েছিল তাদের। ভারতের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সেই মিশনের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। ওপেনার দানুশকা গুনাথিলাকার ব্যাটিং তাণ্ডবে ২.১ ওভরেই স্বাগতিকরা পায় ২৫ রান।

কিন্তু গুনাথিলাকার আউটের পর পাল্টে যায় দৃশ্য। ৮ বলে ১৭ রান করে শারদুল ঠাকুরের বলে তিনি আউট হওয়ার পরপরই প্যাভিলিয়নে ফেরেন ফর্মের তুঙ্গে থাকা কুশল পেরেরা (৩)। ওই ধাক্কা অবশ্য কাটিয়ে উঠেছিল স্বাগতিকরা কুশল মেন্ডিস ও উপুল থারাঙ্গার ব্যাটে। কুশল মেন্ডিস ঝড়ো ব্যাটিংয়ে তুলে নেন নিদাহাস ট্রফির টানা দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় খেলেন ৫৫ রানের কার্যকরী ইনিংস।

থারাঙ্গা কিছুটা ঠাণ্ডা মাথায় ছিলেন। তবে বেশিদূর এগোতে পারেননি, আউট হয়ে যান ২২ রানে। এরপর অধিনায়ক থিসারা পেরেরা তাণ্ডব শুরু করলেও ৬ বলের ইনিংস শেষ হয়ে যায় ১৫ রানে। জীবন মেন্ডিসও ব্যর্থ (১)। দাসুন শানাকা চেষ্টা করেছিলেন, তবে ১৬ বলে ১৯ রানের বেশি করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ১৯ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কা করতে পারে ১৫২ রান।

স্বাগতিকদের অল্পতেই আটকে রাখার পথে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ঠাকুরের। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে এই পেসারের শিকার ৪ উইকেট। ওয়াশিংটন সুন্দর নিয়েছেন ২ উইকেট। ক্রিকইনফো