২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের মাটিতে যুব বিশ্বকাপের জন্য তরুণ পেসার খুঁজে বের করার লক্ষ্য রামানায়েকের। এ প্রসঙ্গে শ্রীলঙ্কার সাবেক পেসার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘বয়স কম হলেও ক্যাম্পে যোগ দেওয়া পেসাররা দারুণ প্রতিশ্রুতিশীল। কঠোর পরিশ্রম করলে তারা ভালো পেসার হয়ে উঠতে পারবে। আমি এই ক্যাম্প থেকে ২০২০ যুব বিশ্বকাপের জন্য কয়েক জন পেসারকে চিহ্নিত করতে চাই।’
ক্যাম্পের পেসারদের নিয়ে দারুণ আশাবাদী এইচপি ইউনিটের বোলিং কোচ, ‘আশা করি কয়েক বছরের মধ্যে ওদের নতুন রূপে পাওয়া যাবে। এই ছেলেরা ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করছে, তারা দারুণ সম্ভাবনাময়। আমি নিশ্চিত, তারা উন্নতি করতে পারবে। বোলিংয়ে বৈচিত্র্য রপ্ত করতে পারলে তারা ব্যাটসম্যানদের সামনে ত্রাস হয়ে উঠবে।’
২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ক্রিকেট একাডেমির দায়িত্বে থাকার সময় রুবেল হোসেন ও শফিউল ইসলামের মতো দুই পেসার বাংলাদেশকে উপর দিয়েছেন তিনি। এবারও তেমন প্রতিভাবান পেসার তুলে আনার লক্ষ্য রামানায়েকের, ‘এদেশে প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অভাব নেই। আমি যখন একাডেমির কোচ ছিলাম, তখনও অনেক প্রতিভাবান পেসার দেখেছি। তাদের অনেকেই আজ জাতীয় দলে ভালো খেলছে। গত মৌসুমের বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে বেশ কয়েক জন পেসার পাঁচ উইকেট শিকার করেছিল। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে।’
তরুণ পেসারদের প্রতি রামানায়েকের উপদেশ, ‘সব ধরনের উইকেটে বোলিং করা পেসারদের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। উইকেট থেকে থেকে কীভাবে সুবিধা আদায় করতে হয়, সেটা জানতে হবে পেসারদের। অনুশীলনের মাধ্যমে ইনসুইং, রিভার্স সুইং তাদের রপ্ত করতে হবে।’