গাজী গ্রুপের ছন্দপতনের দায় নিলেন কোচ

সালাউদ্দিনঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের গতবারের চ্যাম্পিয়ন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। ৬ জয় ও ৫ হারে ছয় নম্বর দল হয়ে সুপার লিগে। সেখানেও খারাপ অবস্থার মধ্যে তারা। সুপার লিগের তিন ম্যাচের দুটি হেরে এর মধ্যেই শিরোপার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে গাজী গ্রুপের। শীর্ষে থাকা আবাহনী লিমিটেডের চেয়ে ৬ পয়েন্ট পেছনে তারা দুই ম্যাচ হাতে রেখে। দলের এমন ছন্দপতনের দায়ভার নিচ্ছেন কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

এই মৌসুমে শুরুর দিকের ম্যাচগুলোতে জিততে পারেনি গাজী গ্রুপ। তাতেই শিরোপার দৌড় থেকে ছিটকে যেতে হয়েছে মনে করেন কোচ। রবিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দলের অনুশীলনের পর সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘টুর্নামেন্টে আমাদের আর কোনও আশাই নেই। আমাদের এক কিংবা দুই নম্বরে থাকার মতোও সুযোগ নেই। আমার মনে হয় যে, শুরুতেই আমরা টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েছিলাম। এখান থেকে ছেলেরা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ভালোভাবেই। এরপর সুপার লিগে আবারও ছন্দটা হারিয়েছি। পুরো টুর্নামেন্টেই আমরা ভালো খেলিনি।’

গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের অনুশীলন১৪ ম্যাচে ৭ জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে রয়েছে গাজী গ্রুপ।  শিরোপা প্রত্যাশী এই দলটির ছন্দপতনের দায়ভার নিজের কাঁধে নিলেন সালাউদ্দিন।  অচেনা বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়দের দলে নিয়েই বিপদে পড়েছেন এই কোচ, ‘খেলোয়াড়দের চেয়ে আমারই দোষ বেশি। অনেক খেলোয়াড় সম্পর্কে আমার কোনও ধারণা ছিল না। এই মুহূর্তে দলে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দুজন খেলোয়াড় আছে যাদের আমি কখনও দেখিনি। তাদেরকে আমি না খেলিয়ে বাদ দিতে পারবো না। এরকম কয়েকজন খেলোয়াড় আছে, তাদের সম্পর্কে জানাটা আমাদের জরুরি ছিল। কিন্তু কম্বিনেশন দাঁড় করাতে করাতে সময় চলে গেছে, যার মধ্যে আমরা বেশ কিছু ম্যাচ হেরে গেছি।’

এই মৌসুমে গাজী গ্রুপের সবচেয়ে বড় হতাশা মুমিনুল হক ফর্মে নেই। ১২ ম্যাচ খেলে মাত্র একটি হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার। ২০.৬৬ গড়ে তার রান মাত্র ২৬৮। মুমিনুলের ফর্মের বাইরে থাকা নিয়ে সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘তার অফ ফর্ম কিংবা টেকনিক্যাল কোনও সমস্যা হলে আমি চিন্তিত। কিন্তু এগুলো কিছুই হয়নি। তাই আমি চিন্তিতও নই। সে হয়তো নতুন নতুন জিনিস শিখছে, যেটা প্রয়োগ করতে গিয়ে এমন হচ্ছে। আশা করি তার ব্যাটে অনেক রান দেখা যাবে, দুর্ভাগ্যবশত এবার হয়নি। এখনও দুটো ম্যাচ আছে, আশা করি সে রানে ফিরবে।’