সোমবার আগে ব্যাট করে ৪৬.৩ ওভারে ২৪১ রানে অলআউট হয় আবাহনী। খেলাঘর মাত্র ২৭.৩ ওভারে গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে।
মিরপুরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আবাহনীকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে দারুণ শুরু করে খেলাঘর। আব্দুল হালিম ও আনজুম আহমেদের বোলিংয়ে টপ থেকে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানরা নাকানিচুবানি খেতে থাকে।
এনামুল হক বিজয়ের সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্তর ৬৪ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর ধস শুরু হয়। এনামুল ২৭ রানে রান আউট হওয়ার পর দলীয় ১০০ রানে নাজমুলকে ফেরান হালিম। ৫৬ বলে ৬ চার ও ১ ছয়ে ৫৪ রান করেন আবাহনীর এই ওপেনার। এটাই ছিল দলের সেরা ব্যক্তিগত ইনিংস।
নাজমুল ফেরার পর ব্যাটসম্যানদের আসা যাওয়ার মিছিল শুরু হয়। ১৫৬ রানে নেই আবাহনীর ৮ উইকেট। এই বিপজ্জনক মুহূর্তে দলের হাল ধরেন মিরাজ। তাসকিন আহমেদের সঙ্গে ৪৯ রানের জুটিতে দলের স্কোর ২০০ পার করেন তিনি। ২৫ বলে ১ চার ও ২ ছয়ে তাসকিন ২৬ রানে আউট হওয়ার পর সন্দীপ রায়কে নিয়ে ছোটখাটো ঝড় তোলেন মিরাজ। ৪৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে ৫০ রান করে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তিনি। দলের বিপদে হাল ধরায় ম্যাচসেরা হয়েছেন মিরাজ।
হালিম সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন। আনজুম ও সাদিকুর রহমান পান দুটি করে উইকেট।
মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২৭ রান করে সেরা স্কোরার। এছাড়া আনজুম (২৪) ও রবিউল ইসলাম রবির (২০) সঙ্গে মাসুম খানের অপরাজিত ২৩ রান উল্লেখযোগ্য।
মাশরাফি ৮ ওভারে ৩২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। তাসকিন, সন্দীপ ও নাসির হোসেন নেন ২টি করে উইকেট।
১৫ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে আবাহনী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রূপগঞ্জ ও শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ২০ পয়েন্ট করে নিয়ে দুই ও তিন নম্বরে। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার শেষে খেলাঘর।