কিছুদিন আগেও রবিউল ও অনিক খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে। মোহামেডানের পেসার অনিক ১১ ম্যাচে ২৮ উইকেট নিয়ে রয়েছেন সেরা বোলিংয়ের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে। আর শেখ জামালের হয়ে খেলা রবিউল ১৩ ম্যাচ নিয়েছেন ২৭ উইকেট। তাদের বাইরে প্রথম বিভাগের বেশ কিছু পেসার নজর কেড়েছে মাশরাফির।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতির পথে এই পেসারদের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে কাজ করার পরামর্শ মাশরাফির। সোমবার সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘লিগে উইকেট অনেক বেশি ভালো ছিল। আমার মনে হয় নেতিবাচক দিক না নিয়ে ইতিবাচক দিক দিয়ে ভাবা উচিত। বিশেষ করে তরুণদের বোলিংয়ের ইতিবাচক দিকগুলা তুলে ধরা উচিত। ভুল তো আমরা সিনিয়ররাও করি। ওদের ভালোভাবে গাইড করা উচিত। যাতে তিন-চার বছর পর তারা বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ফুল সার্ভিস দিতে পারে। ব্যাপারটা যেন এমন না হয় যে, এলাম আর গেলাম।’
চোখে পড়া পেসারদের নামও উল্লেখ করলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক, ‘এই মুহূর্তে মোস্তাফিজ-তাসকিন তো আছেই, কাজী অনিক ভালো বোলিং করেছে। আরও কিছু অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ফাস্ট বোলার আছে। প্রাইম দোলেশ্বরের বিপক্ষে খেলার সময় দেখলাম শাকিল নামের এক বোলারকে, প্রথম বিভাগ থেকে এসেছে। এরা ইন-আউট ভালো করেছে। এদের যত্ন করতে হবে, তৈরি করে রাখতে হবে।’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘শীর্ষ দশে ফরহাদ রেজা বাদে বেশিরভাগ বোলার কিন্তু তরুণ। উইকেট অনেক ফ্লাট ছিল, ব্যাটসম্যানদের জন্য খুব সহায়ক ছিল। এ ধরনের উইকেট পেস বোলারদের অনুশীলনের জন্য ভালো।’