৭ উইকেটে ২৯৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করা দক্ষিণাঞ্চল দেলোয়ার হোসেনের ৬৩ ও নুরুল হাসানের ৪৪ রানের ওপর ভর অলআউট হওয়ার আগে করতে পারে ৪০৩ রান। ৩০৮ রানে পিছিয়ে থেকে বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিন শুরু করবে পূর্বাঞ্চল। লিটন দাস-অলক কাপালিদের সামনে তাই অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা।
পূর্বাঞ্চলের ডানহাতি পেসার খালেদ আহমদে ৮৪ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া আবু জায়েদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন প্রত্যেকে নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।
ব্যাটিংয়ে পূর্বাঞ্চল শুরুতেই চাপে পড়ে। ৩৭ রানে ২ উইকেট হারানো পূর্বাঞ্চলের হাল ধরেন লিটন দাস ও মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে আশরাফুল বেশি দূর যেতে পারেননি, ৫৯ বলে ১২ রান করে আউট হয়ে যান এই ব্যাটসম্যান। তিনি ফিরে গেলেও লিটন অপরাজিত আছেন ৬০ রানে।
পূর্বাঞ্চলকে কোণঠাসা করার নায়ক কামরুল ইসলাম রাব্বি। এই পেসার ৩৩ রানে নেন ২ উইকেট। বাকি উইকেটটি নিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক।
এর আগে মঙ্গলবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা দক্ষিণাঞ্চলের শুরুটা ভালো ছিল না। দলীয় ৪৪ রানে দুই ওপেনার শাহরিয়ার নাফীস (১৭) ও এনামুল হক বিজয়কে (৬) হারায় তারা। তবে তুষার ইমরান ও ফজলে মাহমুদের ১৬৫ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দক্ষিণাঞ্চল।
প্রিমিয়ার লিগে ১৬ ম্যাচে ৭০৪ রান করা ফজলে মাহমুদ এগিয়ে যাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। কিন্তু সোহাগ গাজীর ঘূর্ণিতে কট বিহাইন্ড হয়ে ১১ রানের জন্য তিন অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। তার ৮৯ রানের ইনিংসে ১১টি চার ও একটি ছক্কা।
তুষারকে অবশ্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত করতে পারেনি পূর্বাঞ্চল। একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলফলক ছোঁয়া এই ব্যাটসম্যান ফিরেছেন ১৩০ রান করে। ২২১ বলের দুর্দান্ত ইনিংসটি সাজান ১৫ চার ও এক ছক্কায়।