রাজনীতিতে আসার চিন্তা এখনই নেই সাকিবের, তবে...

সাকিবের মেয়ের সঙ্গে শেখ হাসিনাপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের বাসভবনে সম্প্রতি গিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও মেয়ে। সেই মনোমুগ্ধকর মুহূর্তগুলোর ছবি সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে দিয়েছিলেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। বিষয়টি চোখ এড়ায়নি বিশ্ব গণমাধ্যমের। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে থাকা সাকিবকে তাই রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হলো ভারতের সংবাদমাধ্যম পিটিআই’র কাছ থেকে। বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক জানালেন, এখনই এটা নিয়ে চিন্তা করছেন না।

ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিক হওয়ার উদাহরণ রয়েছে বেশ কয়েকটি। পাকিস্তানের ইমরান খান, শ্রীলঙ্কার সনাথ জয়াসুরিয়া ও অর্জুনা রানাতুঙ্গা এবং ভারতের মোহাম্মদ আজহার উদ্দিনের মতো সাবেক তারকারা ২২ গজ থেকে পা রেখেছেন রাজনীতির মঞ্চে। প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয় ছাড়া বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে এই প্রবণতা খুব একটা দেখা যায়নি।

ডিনার টেবিলে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাকিবসর্বশেষ গত ২ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে গণভবনে যান সাকিব। তার মেয়ে আলায়না হাসান অব্রির সঙ্গে শেখ হাসিনার খেলার ছবি পোস্ট করেছিলেন শিশির। এরপর ২৭ মার্চ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ডিনারে সপরিবারে বঙ্গভবনে যান সাকিব। গণভবনে যাওয়ার সঙ্গে রাজনীতির মিল খোঁজার কোনও কারণ দেখছেন না তিনি। পিটিআই’র প্রশ্নোত্তরে সাকিব বললেন, ‘এটা ছিল একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ। তিনি (শেখ হাসিনা) ক্রিকেট খুব ভালোবাসেন এবং সবসময় ক্রিকেটারদের উৎসাহ দেন।’

অবসরের পর রাজনীতিতে আসার চিন্তা আছে কিনা প্রশ্নে ৩১ বছর বয়সীর কৌশলী জবাব, ‘কেউ তার ভবিষ্যৎ বলতে পারে না। আমি বর্তমান নিয়ে বাস করতে চাই। কিন্তু আমি কোনও কিছু উড়িয়ে দিচ্ছি না। আমি এটা নিয়ে এখন কিছু ভাবছি না, এখন এসব নিয়ে কথা বলা কঠিন। ক্রিকেট আমার জীবন এবং আমার মনোযোগ কেবল এখানেই থাকবে।’ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ক্রিকেট কান্ট্রি।