এবি ডি ভিলিয়ার্সের ৩০ বলে ৬৮ রানের টর্নেডো ও কুইন্টন ডি ককের ৩৭ বলে ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংস দুটি কোনও কাজেই এলো না। বেঙ্গালুরুর ৮ উইকেটে করা ২০৫ রানের বিশাল সংগ্রহটাও বৃথা গেল ধোনির ৩৪ বলে হার না মানা ৭০ ও রাইডুর ৫৩ বলে ৮২ রানের অসাধারণ দুটি ইনিংসের সামনে। কঠিন লক্ষ্যটাও চেন্নাই ৫ উইকেট হারিয়ে পেরিয়ে গেছে অবিশ্বাস্যভাবে।
২০৬ রানের লক্ষ্যে শেন ওয়াটসনের দিকে তাকিয়ে ছিল চেন্নাই। কিন্তু সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার আউট মাত্র ৭ রানে। সুরেশ রায়নাও ফিরে যান ১১ রান করে। ব্যর্থ হয়েছেন স্যাম বিলিংস (৯) ও রবীন্দ্র জাদেজাও (৩)। ৭৪ রানে টপ অর্ডারের ৪ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে নিশ্চিত হারের দিকেই এগোচ্ছিল চেন্নাই।
কিন্তু তখনও যে রাইডু ও ধোনির ম্যাজিক দেখা বাকি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ৭৯ রানের ইনিংস খেলা রাইডু আাবারও দাঁড়িয়ে যান। তার সঙ্গে ব্যাটিং অর্ডারে নিচের দিকে নামা ধোনি দেখালেন তার কারিশমা। দুজন চার-ছক্কায় বৃষ্টি ঝরিয়ে হতাশায় ডোবান বেঙ্গালুরুকে।
রান আউট হওয়ার আগে রাইডু ৫৩ বলে ৩ চার ও ৮ ছক্কায় খেলে যান ঝড়ো ৮২ রানের ইনিংস। তবে ধোনিকে আর ফেরাতে পারেনি বেঙ্গালুরু। চেন্নাই অধিনায়ক ছিলেন আরও ভয়ঙ্কর, মাত্র ৩৪ বলে ১ চার ও ৭ ছক্কায় ৭০ রানের ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন।
ডোয়াইন ব্রাভোর অবদানও কম নয়, শেষ ওভারে জয়ের জন্য যখন চেন্নাইয়ের দরকার ১৬ রান, তখন তার ব্যাট থেকেই আসে ১১ রান। আর ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা ধোনি। ক্রিকইনফো