একটা সময় পেশাদার ক্রিকেটে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ছাড়া সরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানকে ক্রিকেট খেলতে দেখা যেত। কিন্তু ধীরে ধীরে অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বাংলাদেশ বিমানের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রিকেটে থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে। যে কারণে কোটায় নিয়োগ প্রক্রিয়াও বন্ধ হয়ে গেছে।
অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের কোচ আনোয়ার হোসেন। সাবেক এই ক্রিকেটার ক্রিকেট কোটায় নিয়োগ পেয়েছিলেন রাষ্টায়ত্ত এই ব্যাংকটিতে। জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নিয়ামুর রশিদ রাহুল, মাহমুদুল হাসান রানা (বিকাশ রঞ্জন দাস), তারেক আজিজসহ প্রথম শ্রেণি ও প্রিমিয়ার লিগের অনেক সাবেক ক্রিকেটারই কাজ করছেন দেশের শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে। ব্যাংকার্স কাপ ক্রিকেটের মাধ্যমে আবারও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার আয়োজনে সবাই দারুণ উচ্ছ্বসিত।
ব্যাংকিং পেশার একঘেয়েমি জীবন থেকে এক দণ্ড স্বস্তি পাওয়ার সঙ্গে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সৌহার্দ্য বাড়াতে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ নিয়েছে ইমেগো স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। রাজধানীর রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুটি ক্রিকেট মাঠ ও গুলশান ইয়ুথ ক্লাবে হবে ১২ দলকে নিয়ে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এ টুর্নামেন্ট।
দলগুলো চূড়ান্ত হয়ে গেছে- স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক লিমিটেড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, এবি ব্যাংক লিমিটেডসহ দেশের বেশ কয়েকটি শীর্ষ ব্যাংক।
টুর্নামেন্টের উপদেষ্টা পরিষদে আছেন সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার ও ব্যাংকার ইশতিয়াক আহমেদ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন, ব্যাংকার সাদউল্লাহ।
রাজধানীর একটি হোটেলে এনিয়ে মতবিনিময় সভা হয় ব্যাংকার্স কাপ ক্রিকেটে অংশ নিতে যাওয়া ব্যাংক প্রতিনিধি, উপদেষ্টা কমিটি ও টুর্নামেন্ট আয়োজকদের মধ্যে।
সাবেক অধিনায়ক সুজন বলেছেন, ‘ব্যাংকার্স কাপ ক্রিকেটের মাধ্যমে ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ জীবন সুরক্ষিত হবে। ক্রিকেটের পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে গেলে পরবর্তী পেশা নিয়ে আর অনিশ্চয়তায় থাকতে হবে না।’