সাকিবের দুর্দান্ত থ্রোতে দ্বিতীয় উইকেট

সাকিব-১রান আউট হয়ে দ্রুত ফিরতে হয়েছিল সাকিবকে। সেই দুঃখ কিছুটা হলেও হয়তো মিটলো রহমত শাহকে রান আউট করে। দুর্দান্ত থ্রোতে আফগান ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন সাকিব। যাতে বাংলাদেশ পায় দ্বিতীয় উইকেট, আর আফগানিস্তানের স্কোর ১১ ওভারে ২ উইকেটে ৩৫।

নাজমুল ইসলামের বলে ড্রাইভ করেছিলেন মোহাম্মদ শাহজাদ। আফগান ব্যাটসম্যানের শটে রান নেওয়ার জন্য মাঝ ক্রিজে চলে গিয়েছিলেন রহমত। কিন্তু সাকিব বলটি ঝাঁপিয়ে প্রতিহত করে অসাধারণ ফিল্ডিংয়ের পর সরাসরি থ্রোতে ভেঙে দেন স্টাম্প। জায়গায় ফিরে আসতে রহমত অনেক চেষ্টা করলেও সাকিবের চমৎকার থ্রোতে মাত্র ১ রানেই প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় তাকে।

মোস্তাফিজের প্রথম আঘাত

বোলিংয়ে এসেই পেলেন সাফল্য। নিজের প্রথম বলেই উইকেট উৎসবে মাতলেন মোস্তাফিজুর রহমান। তার বলে ইহসানউল্লাহর বিদায়ে আফগানিস্তান হারায় প্রথম উইকেট।

নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশ ৭ উইকেট হারিয়ে করেছে ২৪৯ রান। এই পুঁজিতে বোলিংয়ে ভালো একটা শুরু দরকার ছিল টাইগারদের। মোস্তাফিজের সৌজন্যে যেটা পেল বাংলাদেশ। নিজের প্রথম বলেই তিনি ফিরিয়েছেন ইহসানউল্লাহকে। তার বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে আফগান ব্যাটসম্যান ৮ রান করে পয়েন্টে ধরা পড়েন নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে।

মাহমুদউল্লাহ-ইমরুলের ব্যাটে বাংলাদেশের ২৪৯

জ্বলে উঠলেন মাহমুদউল্লাহ। তার সঙ্গে ইমরুল কায়েস দেখালেন তার প্রয়োজনীয়তা। এই দুই ব্যাটসম্যানের হাফসেঞ্চুরিতে লড়াই করার মতো সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করেছে ২৪৯ রান।

আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ও দুর্ভাগ্যের শিকারে ৮৭ রান তুলতে বাংলাদেশ হারায় ৫ উইকেট। সেখান শুরু মাহমুদউল্লাহ-ইমরুলের প্রতিরোধ। ষষ্ঠ উইকেটে তারা যোগ করেন গুরুত্বপূর্ণ ১২৮ রানের জুটি। তাতেই বাংলাদেশের সংগ্রহ অতদূর পর্যন্ত যায়।

চমৎকার ব্যাটিংয়ে মাহমুদউল্লাহ খেলেন দলীয় সর্বোচ্চ ৭৪ রানের ইনিংস। আর খেলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে দেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে উড়ে যাওয়া ইমরুলকে তো আউটই করতে পারেননি আফগান বোলাররা। ৮৯ বলে হার না মানা ৭২ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি, যাতে ছিল ৬টি বাউন্ডারির মার।