কিম্বার্লিতে সফরকারীদের ৩৪.১ ওভারে ১১৭ রানে অলআউট করে প্রত্যাশিত জয়ই পেয়েছে তারা, কিন্তু ঘাম ঝরিয়ে। ২৬.১ ওভারে ৫ উইকেটে ১১৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১-০ তে এগিয়ে থেকে আগামী বুধবার ব্লুমফন্টেইনে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলবে তারা।
কিম্বার্লির ডায়মন্ড ওভালে সাধারণত শেষে ব্যাট করা দলই সুবিধা পায়। তাই টস জিতে দ্বিতীয়বার না ভেবে ফিল্ডিং নেন দক্ষিণ আফ্রিকার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জেপি দুমিনি।
দল ঘোষণার পরই জানা যায়, সাদা বলের ক্রিকেটে ডেল স্টেইনের ফেরার অপেক্ষা আরও বাড়ছে। অলরাউন্ডার ক্রিস্টিয়ান জনকারকে ওয়ানডে ক্যাপ দেওয়া হয়।
স্টেইনের ফেরা না হলেও কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিদি ও অ্যান্ডাইল ফেলুকোয়াইয়োর পেস আক্রমণে পাত্তা পায়নি জিম্বাবুয়ে। শ্রীলঙ্কা সফরে বিশ্রামে থাকা ইমরান তাহিরও তার স্পিনে নাকানিচুবানি খাওয়ান সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনকে।
এলটন চিগুম্বুরার ২৭ ও অধিনায়ক হ্যামিলটন মাসাকাদজার ২৫ রান ছিল কিছুটা বলার মতো। আর কেবল দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন পিটার মুর (১৩) ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা (১৫)।
এনগিদি সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়ে প্রোটিয়াদের সবচেয়ে সফল বোলার। দুটি করে পান রাবাদা, ফেলুকোয়াইয়ো ও তাহির।
যতটা সহজে জয় প্রত্যাশিত করেছিল স্বাগতিকরা, তেমনটা হয়নি। টপ অর্ডারে ছোটখাটো ধস নেমেছিল তাদের। ৯৬ রানেই ৫ উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। পঞ্চম ব্যাটসম্যান হয়ে ইনিংস সেরা ৪৪ রানে হেনরিক ক্লাসেন আউট হওয়ার আগে অ্যাইডেন মারক্রামের ২৭ রান প্রতিরোধ গড়েছিল।
দলের এই বিপদে সব শঙ্কা দূর করে উইলেম মুলডারকে নিয়ে ২৩ রানের অপরাজিত জুটিতে দলকে জেতান দুমিনি। ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক। ১৪ রানে খেলছিলেন মুলডার।
ওয়েলিংটন ও তেন্দাই চাতারা জিম্বাবুয়ের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন। ক্রিকইনফো