ক্রিকেটে যুক্ত হয়েছে যেসব নিয়ম

ক্রিকেটে কিছু নিয়ম সংযোজন-বিয়োজন করেছে আইসিসি। বিদ্যমান নিয়মে ফল না আসায় বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হচ্ছিল বল টেম্পারিং ও আচরণ বিধিতে শাস্তির মাত্রা কম থাকা নিয়ে। এসব নিয়ম ঢেলে সাজিয়েছে আইসিসি, যেগুলো কার্যকর হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে।

কিছু নতুন কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে প্রতারণা ও বাড়তি সুবিধা পেতে অসদুপায় অবলম্বনের পদক্ষেপকে ২-৩ মাত্রার অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। একই সঙ্গে স্লেজিং বা ব্যক্তিগত আক্রমণকেও দেখা হবে অপরাধ হিসেবে। ‘জেন্টলম্যান গেম’ ক্রিকেট চেতনা বিরোধী কর্মকাণ্ড রুখতে অশালীন ভাষা প্রয়োগকেও বিধি বহির্ভুত আচরণ হিসেবে ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এখন থেকে।

এক নজরে নতুন বিধি বহির্ভুত আচরণ ও পরিবর্তিত নিয়ম--

১. অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা (প্রতারণা)-                       ২,৩ মাত্রা

২. ব্যক্তিগত আক্রমণ-                                                 ২,৩ মাত্রা

৩. শ্রবণযোগ্য গালাগালি-                                              ১ মাত্রা

৪. আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত অমান্য করা-                              ১ মাত্রা

৫. বলের কন্ডিশনের পরিবর্তন                           ৩ মাত্রা (আগে ছিল ২)

এছাড়া ৩ মাত্রার অভিযোগের ক্ষেত্রে এতদিন সাসপেনশন পয়েন্ট ধরা হতো ৮। এখন তা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১২ পয়েন্ট করা হয়েছে, যা ৬ টেস্ট অথবা ১২টি ওয়ানডে নিষেধাজ্ঞার সমমান।

নতুন নিয়মে আপিলের ক্ষেত্রে সংযোজন হয়েছে আপিল ফি। নির্ধারিত ফি দিয়ে কেউ আপিল করতে পারবেন। সেই আপিলে সফল হলে টাকা ফিরিয়েও দেবে আইসিসি। এছাড়া এখন থেকে লেভেল ১, ২ ও ৩ মাত্রার অভিযোগের শুনানি করবেন ম্যাচ রেফারি। তবে চার মাত্রার অভিযোগ ও আপিলের ক্ষেত্রে সঙ্গে একজন জুডিশিয়াল কমিশনার থাকবেন।