খুলনা-রাজশাহী
ড্রতে শেষ হয়েছে খুলনা-রাজশাহী ম্যাচ। প্রথম ইনিংসে খুলনার ২১০ রানের জবাবে রাজশাহী গড়েছিল ৫৫২ রানের পাহাড়। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ায় খুলনা। তুষার ইমরানের সেঞ্চুরির পর শেষ দিনে শতকের দেখা পেয়েছেন এনামুল ও সৌম্য। খুলনা ৭ উইকেটে ৪৬৭ রান তোলার পর ড্র মেনে নেয় দুই দল।
রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিন ৭২ রান নিয়ে শুরু করেছিলেন এনামুল। ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি পূরণ করেন এই ওপেনার। আউট হওয়ার আগে ২৩৯ বলে খেলেন ১১৩ রানের ইনিংস। লোয়ার মিডল অর্ডারে নেমে সেঞ্চুরি পূরণ করেছেন সৌম্যও।
নিশ্চিত ড্রয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ম্যাচে শতক পূরণ করে ক্রিকেটের লম্বা ফরম্যাটে ব্যাটিং সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন সৌম্য। তিনি অপরাজিত ছিলেন ১০৩ রানে। ১২০ বলের ইনিংসটি সৌম্য সাজিয়েছেন ৮ চার ও ৭ ছক্কায়।
রাজশাহীর তাইজুল ইসলাম ও সানজামুল ইসলাম দুজনই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।
বরিশাল-রংপুর
বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে রংপুর-বরিশালের ম্যাচটিও হয়েছে ড্র। দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুর ২ উইকেটে ১৬৪ রান করেছে। নাঈম ইসলামের সেঞ্চুরি পর দুই দল মেনে নেয় ড্র।
বরিশাল তাদের প্রথম ইনিংসে ৪৫৮ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে রংপুর। আগের দিন সেঞ্চুরি করা ফজলে মাহমুদ একটুর জন্য পাননি ডাবলের দেখার। ১৯৫ রানে আউট হয়ে যান তিনি মাহমুদুল হাসানের বলে। ৫০৬ বলের ধৈর্যশীল ইনিংসটি তিনি সাজান ১৮ চার ও ৩ ছক্কায়।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামা রংপুরের শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না। ১২ রানে তারা হারায় দুই ওপেনার জাহিদ জাবেদ (৭) ও মিম মোসাদ্দেককে (১)। তবে দ্বিতীয় উইকেটে বড় জুটি গড়েন মাহমুদুল হাসান ও নাঈম ইসলাম।
মাহমুদুল হাফসেঞ্চুরি করে ৫৩ রানে অপরাজিত থাকলেও নাঈম তুলে নেন সেঞ্চুরি। ১৬২ বলে ১০০ রানের ইনিংসটি তিনি গড়েছেন ১০ চার ও ১ ছক্কায়।