শান্ত-মিজানুরের দুর্দান্ত জুটিতে রাজশাহীর দাপট

দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিজানুর রহমানের সেঞ্চুরিতে রংপুরের বিপক্ষে রানের পাহাড় গড়েছে রাজশাহী। জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম স্তরের দ্বিতীয় রাউন্ডের অন্য ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে খুলনা লড়াই করছে মোহাম্মদ মিঠুনের পঞ্চাশ ছাড়ানো ইনিংসে।

শান্ত-মিজানুরের তিনশ ছাড়ানো জুটিতে দাপট দেখাল রাজশাহীরংপুর-রাজশাহী

শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে রংপুরকে ১৫১ রানে গুটিয়ে দিয়ে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৯৯ রানে দিন শেষ করেছিল রাজশাহী। স্বাগতিকরা আরও প্রায় দুই সেশন উইকেট হারায়নি। মিজানুর ও শান্তর তিনশ ছাড়ানো জুটিতে ২ উইকেটে ৪১৯ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে রাজশাহী। ৮ উইকেট হাতে রেখে ২৬৮ রানের লিড তাদের।

শান্ত ৩৭ ও মিজানুর ৫৯ রানে অপরাজিত থেকে মঙ্গলবার ক্রিজে নামে। ১০৮ বল খেলে ফিফটিতে পৌঁছান শান্ত। আর মিজানুর ১১৯ বলে ১৪টি চারে করেন সেঞ্চুরি। লাঞ্চের পর শান্তও সেঞ্চুরির দেখা পান, ১৯৯ বলে ১৩টি চারে।

দুই ওপেনার ক্রিজে ছিলেন অদম্য। যাতে দেড়শ রানের কোটাও পার করেন তারা। কিন্তু হয়নি ডাবল সেঞ্চুরি। মিজানুরকে লিটন দাসের ক্যাচ বানান আরিফুল হক। ২১৬ বলে ২২ চারে ১৬৫ রান করেন রাজশাহী ওপেনার। ৩১১ রানের এ জুটি ভাঙার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দ্বিতীয় সেশন।

২৭০ বলে ১৫০ রান করা শান্ত আউট হন শেষ সেশনের মাঝামাঝি সময়ে। তাকে ১৭৩ রানে বদলি ফিল্ডার সন্দীপ সাহার ক্যাচ বানান মাহমুদুল হাসান। তার ২৩ চারের ইনিংস ছিল ৩১৩ বলের। জুনায়েদ সিদ্দিকীর সঙ্গে ৫৩ রানের জুটি গড়েন শান্ত।

জুনায়েদ ও ফরহাদ হোসেনের ৫৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে চারশ পেরিয়ে গেছে রাজশাহী। ৩৯ রানে জুনায়েদ, আর ২৬ রানে খেলছেন ফরহাদ।

সোহাগ গাজীর স্পিনে বিপদে পড়েছিল খুলনাখুলনা-বরিশাল

দ্বিতীয় দিন ব্যাট করতে নেমে শেষ দুটি উইকেট হারিয়ে আর মাত্র ৩৩ রান যোগ করে বরিশাল। প্রথম ইনিংসে তারা অলআউট হয় ২৯৯ রানে। জবাবে ৬ উইকেটে ১৯৯ রানে মঙ্গলবার খেলা শেষ করেছে খুলনা।

দিনের ষষ্ঠ বলেই মনির হোসেন আউট হলে কামরুল ইসলাম রাব্বিকে নিয়ে ৩১ রানের শেষ জুটি গড়েন নুরুজ্জামান। ৪৮ রানে খেলতে নেমে তিনি আউট হন ৭৪ রানে।

খুলনার পক্ষে সবচেয়ে বেশি ৩টি করে উইকেট নেন আব্দুর রাজ্জাক ও আল আমিন হোসেন।

জবাবে রাব্বি ও সোহাগ গাজীর বোলিংয়ে মাত্র ৮৮ রানে ৫ উইকেট হারায় খুলনা। জিয়াউর রহমানকে নিয়ে মিঠুনের ১০৬ রানের জুটিতে এই বিপদ কাটিয়ে ওঠে স্বাগতিকরা। মিঠুন ৭২ রানে সাজঘরে ফিরলেও জিয়াউর হাফসেঞ্চুরির দোরগোড়ায়। ৪৬ রানে অপরাজিত তিনি। অপর প্রান্তে ৯ বল খেলেও রানের খাতা খোলেননি আফিফ হোসেন।

রাব্বি ও সোহাগ দুটি করে উইকেট নেন বরিশালের হয়ে।