এনসিএলের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিপক্ষকে অলআউট করলে বোলিং দল পাবে ৫ বোনাস পয়েন্ট। বগুড়ায় দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে ঢাকা বিভাগকে এই বোনাস পয়েন্ট দিতে চায়নি ঢাকা মেট্রো। ৫৯ রানে ৮ উইকেট হারাতেই ইনিংস ঘোষণা করেন অধিনায়ক মার্শাল আইয়ুব। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা বিভাগ প্রথম দিন শেষ করেছে ৩ উইকেটে ১৬৭ রানে।
সালাউদ্দিন সাকিল (৪/১৫) ও সুমন খানের (৩/৩২) অসাধারণ বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ঢাকা মেট্রোর ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের সর্বোচ্চ ১৪ রান করেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। শামসুর রহমান করেছেন ১১ রান, আর সৈকত আলীর ব্যাট থেকে এসেছে ১০ রান। ব্যাটিংয়ে ভরাডুবির পর অন্য পদ্ধতিতে ঢাকা বিভাগকে ‘জবাব’ দিয়েছে ঢাকা মেট্রো। অলআউট করে যাতে তারা বোনাস পয়েন্ট না পেতে পারে, সেই চিন্তা থেকেই ৮ উইকেট পড়ার পর ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা মেট্রো।
প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণভাবে দিন পার করেছে ঢাকা বিভাগ। ওপেনার রকিবুল হাসান ৯ রান করে আউট হলেও আরেক ওপেনার রনি তালুকদার খেলেছেন ৮৬ রানের ইনিংস। সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৯ রান। দিন শেষ অপরাজিত আছেন শুভাগত হোম (৯*) ও তাইবুর রহমান (৪*)।
কক্সবাজারে দ্বিতীয় স্তরের অন্য ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে চট্টগ্রাম ও সিলেট। বৃষ্টির কারণে প্রথম দিনে টসই হয়নি।
রংপুরে প্রথম স্তরের ম্যাচে রাজশাহীর বিপক্ষে সুবিধাজনক জায়গায় স্বাগতিকরা। প্রথম দিন শেষে রাকিন আহমেদ ও নাঈম ইসলামের হাফসেঞ্চুরিতে রংপুর করেছে ৫ উইকেটে ২৩০ রান।
হাফসেঞ্চুরি করে সেঞ্চুরির পথে হাঁটছিলেন রাকিন, তবে ৭৯ রানে তাকে থামান সানজামুল ইসলাম। ১৮৩ বলের ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছেন ৯ বাউন্ডারিতে। নাঈম অবশ্য অপরাজিত আছেন ৬৩ রানে। তার সঙ্গে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন ১৩ রানে অপরাজিত থাকা ধীমান ঘোষ।
প্রথম দিনে রাজশাহীর সেরা বোলার সানজামুল। ৪১ রান খরচায় এই স্পিনার পেয়েছেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন দেলোয়ার হোসেন ও শফিকুল ইসলাম।
বরিশালে প্রথম স্তরের অন্য ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বরিশাল ও খুলনা। বৃষ্টির কারণে খেলা তো দূরে থাক, টসই হয়নি।