টেস্ট ক্যারিয়ারের ১০ ম্যাচের তিনটিতে ওপেনিংয়ে নামার অভিজ্ঞতা আছে এই ব্যাটসম্যানের। সাদা পোশাকে খুব বেশি সফল না হলেও সাম্প্রতিক ফর্ম লিটনকে টেস্ট স্কোয়াডে সুযোগ করে দিয়েছে। ১০ ম্যাচে ২৬.৮৮ গড়ে ৩ হাফসেঞ্চুরিতে লিটনের রান ৪৫৭। ওপেনিংয়ে তার সর্বোচ্চ ইনিংস ৩৩, সাবিনা পার্কে খেলা সবশেষ ইনিংসে এই রান করেন তিনি। শনিবারের ম্যাচের একাদশ ঠিক না হলেও চতুর্থবারের মতো লিটনের ওপেনিংয়ে নামার বিষয়টি একরকম চূড়ান্তই।
স্ট্রোক খেলতে জুড়ি নেই লিটনের। আর এই বিষয়টিই ওপেনিংয়ে এগিয়ে রাখছে তাকে। শুক্রবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ স্পষ্ট করে কিছু না বললেও ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন এই কথায়, ‘লিটন ফ্রি ফ্লাইং স্ট্রোক মেকার। তাকে যদি স্বাধীনতা দিতে পারি, তাহলে সে বড় ইনিংস খেলতে পারবে। ঘরোয়া ক্রিকেটে সে বড় ইনিংস খেলার সামর্থ্য দেখিয়েছে। আমি নিশ্চিত, লিটন তার স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারলে ইনিংস এমনিতেই বড় হয়ে যাবে।’
টেস্টর স্কোয়াডে রয়েছেন সিলেটের দুই পেসার আবু জায়েদ রাহী ও খালেদ আহমেদ। রাহীর দুই ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও খালেদ আছেন অভিষেকের অপেক্ষায়। যদিও এই দুই পেসারের একসঙ্গে খেলার সম্ভাবনা খুব কমই। কেননা স্কোয়াডে আছেন আরও দুই পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ও শফিউল ইসলাম। একাদশ চূড়ান্ত না করলেও সিলেটের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের দুই পেসার নিয়ে নামার সম্ভাবনাই বেশি।
স্থানীয় দুই পেসার নিয়ে মাহমুদউল্লাহ শুধু বলে রাখলেন, ‘রাহী ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বেশ ভালো পারফর্ম করেছে। আমি মনে করি সে সুযোগ পাওয়ার দাবিদার। আর খালেদ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তারকা হতে পারে। তার বলে গতি আছে, আর সুইংও করাতে পারে। দেখা যাক আমরা কেমন কম্বিনেশন সেট করি।’
টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় সিলেট। ঘরোয়া ক্রিকেটে এখানকার উইকেট অনেকটাই ফ্লাট হয়। তবে আন্তর্জাতিক ম্যাচে উইকেট কেমন হবে, এটাই এখন দেখার বিষয়। যদিও ধারণা করা হচ্ছে স্পিন নির্ভর উইকেটই হচ্ছে সিলেটে। যেখানে ব্যাটসম্যানরাও সুবিধা পাবেন। উইকেট নিয়ে মাহমুদউল্লাহ বললেন, ‘আজ (শুক্রবার) সকালে উইকেট দেখেছি। কিছুটা ড্রাই আছে এই মুহূর্তে। মাঝে কিছু ঘাস রয়েছে। যদিও এই মুহূর্তে আমরা খুব একটা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না। তবে আমরা দুই পেসার, দুই স্পিনার বা তিন স্পিনার ও এক পেসার নিয়েও খেলতে পারি। এখনও নিশ্চিত না, কাল (শনিবার) উইকেট দেখে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’