সিলেটের অভিষেক টেস্টটি জয়ে রাঙাতে চায় বাংলাদেশ। গত জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে হোয়াইওয়াশের হতাশা ভুলে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়ার চ্যালেঞ্জও এটি। তাছাড়া ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ঘরের মাঠে পরের টেস্ট সিরিজের জন্য প্রস্তুতিও সেরে নিতে চায় স্বাগতিকরা।
ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে শুক্রবার এসব কথাই শোনালেন মাহমুদউল্লাহ, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা ভালো করতে পারিনি। দেশের মাটিতে আমাদের ভালো করার সুযোগ আছে। জিম্বাবুয়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আমাদের টেস্ট সিরিজ আছে। তার আগে এই দুই ম্যাচে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেখাতে পারব আশা করি।’
আপাতত সিরিজ নিয়ে নয়, প্রথম ম্যাচ নিয়েই ভাবনা মাহমুদউল্লাহর। টেস্ট অধিনায়ক বলেছেন, ‘প্রথম ম্যাচে আমাদের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ভালো ফল পেলে তার আত্মবিশ্বাস দ্বিতীয় টেস্টে কাজে লাগবে। আপাতত প্রথম টেস্টটি জিততে চাই।’
একাদশে সাকিব আল হাসান না থাকা মানে বাড়তি একজন ব্যাটসম্যান কিংবা একজন বোলারকে নিতে হয়। তখন দলের কম্বিনেশন সাজানো একটু হলেও চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ে মনে করেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান, ‘সাকিব সবসময় দলকে একটা ভারসাম্য এনে দেয়। তার অনুপস্থিতিতে আমাদের একজন অতিরিক্ত বোলার কিংবা ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলতে হবে। সাকিব থাকলে আমাদের সেরা একাদশ সাজানো নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করতে হয় না।’
অবশ্য সাকিব-তামিম না থাকায় তরুণরা নিজেদের প্রমাণ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এটাও ইতিবাচক চোখে দেখছেন মাহমুদউল্লাহ, ‘সাকিব-তামিমের না থাকা তরুণদের জন্য দারুণ সুযোগ। আমার জন্যও তাই। আমরা এ সুযোগ কীভাবে দেখছি এবং কতটা উদগ্রীব আছি পারফরম্যান্স করতে, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। এই চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের নিতে হবে। প্রত্যেকেই পারফরম্যান্স করতে মুখিয়ে আছে।’