আয়োজকদের এমন প্রশংসনীয় উদ্যোগের পরও সমালোচনার স্বীকার হতে হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। সিলেটের ক্রিকেটাররা উপস্থিত থাকার পরও আকরাম খানকে দিয়ে ঘণ্টা বাজানোতেই কিছুটা ক্ষোভ স্থানীয় ক্রিকেট সমর্থকদের মনে। ঘণ্টা বাজানোর মুহূর্তে আকরাম খানের পাশে হাসিবুল হোসেন শান্ত উপস্থিত থাকলেও রাজিন সালেহ ও এনামুল হক জুনিয়ার ছিলেন না। অথচ জাতীয় লিগ থেকে তাদের সিলেটে উড়িয়ে আনা হয়েছিল এই উপলক্ষে যোগ করার জন্য। শুরুতে তাদের দিয়ে ঘণ্টা বাজানোর পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আকরাম খানকে নির্বাচন করে বিসিবি।
ঘণ্টা বাজানোর সম্মান না পেলেও রাজিন-এনামুলদের সংবর্ধনার ব্যবস্থা করেছে বিসিবি। লাঞ্চ বিরতির সময় মাঠে তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। টসের পর বিসিবি পরিচালকদের সামনে ঘণ্টা বাজান আকরাম খান।
২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মহিলাদের ম্যাচ দিয়ে এ মাঠের যাত্রা শুরু। ওই আসরে ৬টি ম্যাচ হয়েছিল এই মাঠে। গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার একটি টি-টোয়েন্টিও আয়োজন করেছিল সিলেট। তবে ওয়ানডে খেলার আগেই টেস্ট অভিষেক হলো সিলেটের।
মাহমুদউল্লাহ সিলেটের অভিষেক ম্যাচটি জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আগের সাতটি ভেন্যুর অভিষেক টেস্টে বাংলাদেশের জয়ের কোনও রেকর্ড নেই। সিলেটে এই ইতিহাস বদল করতে চায় টাইগাররা। ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও শেরে বাংলা স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়াম ও জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম, ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম এবং খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের পর দেশের অষ্টম টেস্ট ভেন্যু হিসেবে নাম লেখাল সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।