সতীর্থ ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার মাঝে লড়াই করে গেলেন টেলর। তার হার না মানা ৮৬ রানের ওপর ভর দিয়েই নির্ধারিত ৫০ ওভারে নিউজিল্যান্ড ৯ উইকেটে করে ২০৯ রান। বিপরীতে ফখর জামানের ৮৮ রানের ইনিংসে ৪০.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।
শাহিনের বোলিং তোপে টপ অর্ডারে ধস নামে কিউইদের। কলিন মুনরোকে (১৩) আউট করে উইকেট উদযাপন শুরু এই পেসারের। খানিক পর তার দুর্দান্ত চেষ্টায় রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন (১)। ২৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর টেলর ও ওয়ার্কারের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে সফরকারীরা। যদিও সেই চেষ্টায় চিড় ধরান মোহাম্মদ হাফিজ। এই স্পিনারের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ওয়ার্কার (২৮)।
আগের ম্যাচে টেলরের সঙ্গে জুটি বেঁধে বড় ইনিংস খেলেছিলেন টম ল্যাথাম। আরেকবার দলের বিপর্যয়ে তার কাছ থেকে ভালো কিছুরই প্রত্যাশা ছিল। যদিও শাহিন আফ্রিদির দিনে মাত্র ১ রানে ফিরতে হয় তাকে বোল্ড হয়ে। হেনরি নিকোলস চেষ্টা করলেও থামেন ৩৩ রানে।
তবে আলাদা ছিলেন টেলর। প্রথম ওয়ানডেতে ৮০ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে অপরাজিত থাকলেন ৮৬ রানে। ১২০ বলের ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছেন ৩ চার ও ১ ছ্ক্কায়। অন্যদিকে বল হাতে কিউইদের সবচেয়ে বেশি পরীক্ষা নেওয়া শাহিন ৩৮ রান দিয়ে পেয়েছেন ৪ উইকেট। দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন তরুণ পেসার। ২ উইকেট নিয়েছেন হাসান আলী।
২১০ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাকিস্তান শুরুতেই খায় বড় ধাক্কা। ওপেনার ইমাম-উল-হককে ফিরতে হয় মাথায় আঘাত পেয়ে। লুকে ফার্গুসনের বল আঘাত করে এই ওপেনারের হেলমেটে। তাই ১৬ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরেন তিনি।
ইমামের মাঠ ছাড়াতে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে থাকেন ফখর ও বাবর আজম। চমৎকার ব্যাটিংয়ে এই জুটি জয়ের ভিত গড়ে দেন। ফখর করেন ৮৮ রান, আর বাবরের ব্যাট থেকে আসে ৪৬ রান। শোয়েব মালিক (১০) ও সরফরাজ আহমেদ (১৩) অবশ্য ব্যর্থ হয়েছেন। যদিও ৫৭ বল আগেই পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ হাফিজ (২৭*) ও শাদাব খান (২*)।
হারের দিনে কিউইদের সবচেয়ে সফল বোলার ফার্গুসন। ৬০ রান খরচায় তিনি পেয়েছেন ৩ উইকেট। ক্রিকেইনফো