জয়টা অবশ্য সহজে আসেনি। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয় দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল টাইগারদের। দ্বিতীয় দিন শেষে ৫ উইকেটে ৫৫ রান, মাত্র ১৩৩ রানের অগ্রগামিতা—দুর্ভাবনা হওয়ারই কথা। শনিবার তৃতীয় দিনের শুরুতে মুশফিকের বিদায়ে আরও চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে মাহমুদউল্লাহ আর মিরাজের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত লড়াই করার মতো পুঁজি পায় স্বাগতিক দল। তারপর স্পিনারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে জয়ের উল্লাসে মেতে ওঠা।
সাকিব-তাইজুলের ঘূর্ণিজাদুতে দিশেহারা ক্যারিবিয়ানরা ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে মাত্র ১১ রানে। শুরুর এমন মারাত্মক ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি অতিথি দল। শেষ দিকে অ্যামব্রিসের প্রতিরোধ আর ওয়ারিকানের পাল্টা আক্রমণ স্বপ্ন দেখাচ্ছিল সফরকারীদের। কিন্তু লাভ হয়নি, চা-বিরতির ঠিক আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৩৯ রানে অলআউট।
তরুণ অফস্পিনার নাঈম হাসানের কৃতিত্বও কম নয়। ঘরের মাঠে অভিষেক টেস্টেই ব্যাটে-বলে সৌরভ ছড়িয়েছেন তিনি। প্রথম ইনিংসে মূল্যবান ২৬ রান করার পর ৫ উইকেট নিয়ে নাঈম আজ ইতিহাসের অংশ। অভিষেক টেস্টে সবচেয়ে কম বয়সে ইনিংসে ৫ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব যে তারই।
চট্টগ্রাম টেস্ট শেষ, এবার মিরপুর টেস্টের চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জে সাফল্য পেলে শুধু সিরিজ জেতাই নয়, ক্যারিবিয়ান সফরে টেস্ট সিরিজ হারের প্রতিশোধও নিতে পারবে বাংলাদেশ। সাকিব-মুশফিকরা নিশ্চয়ই হাতছাড়া করতে চাইবেন না সুযোগটা।